০৯:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

২৮০ কোচিং সেন্টারের ট্রেড লাইসেন্স নেই: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রাম থেকে:

চট্টগ্রাম নগরে প্রায় ৪০০ কোচিং সেন্টার রয়েছে। তবে এর মধ্যে মাত্র ১২০টির ট্রেড লাইসেন্স রয়েছে। বাকি ২৮০ কোচিং সেন্টার ট্রেড লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবসা পরিচালনা করছে। তাই এগুলোকে নীতিমালা ও ট্রেড লাইসেন্সের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

বুধবার সিটি করপোরেশন কার্যালয়ে দৃশ্যদূষণ প্রতিরোধ ও সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র এ ঘোষণা দেন।

মেয়র বলেন, অনুমতিহীন পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন ও সাইনবোর্ডে নগরীর সৌন্দর্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি সিটি করপোরেশনের রাজস্বও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কোচিং সেন্টার যেহেতু প্রতিষ্ঠিত ব্যবসা খাত, তাই নিয়ম-কানুন মেনে চলা তাদের জন্য বাধ্যতামূলক।

তিনি আরও বলেন, চকবাজারকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমৃদ্ধ ক্লিন, গ্রিন অ্যান্ড হেলদি জোনে রূপান্তর করা হবে। যত্রতত্র পোস্টার-ব্যানার বন্ধ করে নিয়ম মেনে ডিজিটাল বোর্ড বা এলইডি স্ক্রিনে বিজ্ঞাপন প্রচারের ব্যবস্থা করা হবে। এতে নগরের সৌন্দর্য অক্ষুণ্ন থাকবে এবং ব্যবসায়ীরাও আইনসংগতভাবে প্রচার করতে পারবেন।

মেয়র নাগরিকদের সহযোগিতার ওপর জোর দিয়ে বলেন, শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে হলে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে। যারা এখনও ট্রেড লাইসেন্স নেননি তারা দ্রুত নিন এবং যাদের নবায়ন হয়নি তারা নবায়ন করুন।

সভায় সিটি করপোরেশনের রাজস্ব কর্মকর্তারা জানান, নগরের কোচিং সেন্টারগুলোর প্রায় ৮০ শতাংশ অনুমতি ছাড়াই বিজ্ঞাপন ও পোস্টার ঝুলিয়ে রাখছে। মাত্র ২০ শতাংশ প্রতিষ্ঠান বিজ্ঞাপনের অনুমতি নেয়। এতে বিপুল রাজস্ব হারাচ্ছে সিটি করপোরেশন। অথচ একটি সাইনবোর্ডের জন্য মাত্র এক-দুই হাজার টাকা কর দিলেই হতো। এ অনিয়ম বন্ধে সংশ্লিষ্টদের সচেতনতা ও সহযোগিতা প্রয়োজন।

সভায় প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা এস এম সরওয়ার কামাল, রাজস্ব কর্মকর্তা সাব্বির রহমান সানি, চট্টগ্রাম কোচিং অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবু তাহের, সাধারণ সম্পাদক আবদুর রউফ সোহেল, নগরের বিভিন্ন কোচিং সেন্টারের প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

আপডেট: ০৭:৫৬:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
৭৯

২৮০ কোচিং সেন্টারের ট্রেড লাইসেন্স নেই: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র

আপডেট: ০৭:৫৬:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রাম থেকে:

চট্টগ্রাম নগরে প্রায় ৪০০ কোচিং সেন্টার রয়েছে। তবে এর মধ্যে মাত্র ১২০টির ট্রেড লাইসেন্স রয়েছে। বাকি ২৮০ কোচিং সেন্টার ট্রেড লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবসা পরিচালনা করছে। তাই এগুলোকে নীতিমালা ও ট্রেড লাইসেন্সের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

বুধবার সিটি করপোরেশন কার্যালয়ে দৃশ্যদূষণ প্রতিরোধ ও সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র এ ঘোষণা দেন।

মেয়র বলেন, অনুমতিহীন পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন ও সাইনবোর্ডে নগরীর সৌন্দর্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি সিটি করপোরেশনের রাজস্বও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কোচিং সেন্টার যেহেতু প্রতিষ্ঠিত ব্যবসা খাত, তাই নিয়ম-কানুন মেনে চলা তাদের জন্য বাধ্যতামূলক।

তিনি আরও বলেন, চকবাজারকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমৃদ্ধ ক্লিন, গ্রিন অ্যান্ড হেলদি জোনে রূপান্তর করা হবে। যত্রতত্র পোস্টার-ব্যানার বন্ধ করে নিয়ম মেনে ডিজিটাল বোর্ড বা এলইডি স্ক্রিনে বিজ্ঞাপন প্রচারের ব্যবস্থা করা হবে। এতে নগরের সৌন্দর্য অক্ষুণ্ন থাকবে এবং ব্যবসায়ীরাও আইনসংগতভাবে প্রচার করতে পারবেন।

মেয়র নাগরিকদের সহযোগিতার ওপর জোর দিয়ে বলেন, শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে হলে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে। যারা এখনও ট্রেড লাইসেন্স নেননি তারা দ্রুত নিন এবং যাদের নবায়ন হয়নি তারা নবায়ন করুন।

সভায় সিটি করপোরেশনের রাজস্ব কর্মকর্তারা জানান, নগরের কোচিং সেন্টারগুলোর প্রায় ৮০ শতাংশ অনুমতি ছাড়াই বিজ্ঞাপন ও পোস্টার ঝুলিয়ে রাখছে। মাত্র ২০ শতাংশ প্রতিষ্ঠান বিজ্ঞাপনের অনুমতি নেয়। এতে বিপুল রাজস্ব হারাচ্ছে সিটি করপোরেশন। অথচ একটি সাইনবোর্ডের জন্য মাত্র এক-দুই হাজার টাকা কর দিলেই হতো। এ অনিয়ম বন্ধে সংশ্লিষ্টদের সচেতনতা ও সহযোগিতা প্রয়োজন।

সভায় প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা এস এম সরওয়ার কামাল, রাজস্ব কর্মকর্তা সাব্বির রহমান সানি, চট্টগ্রাম কোচিং অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবু তাহের, সাধারণ সম্পাদক আবদুর রউফ সোহেল, নগরের বিভিন্ন কোচিং সেন্টারের প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।