বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচন: জিয়া পরিবারকে চাইছেন নেতাকর্মীরা
বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচন: জিয়া পরিবারকে চাইছেন নেতাকর্মীরা
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারেক রহমান বগুড়া-৬ (সদর) ও ঢাকা-১৭ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে উভয় আসনেই বিজয়ী হন।
আইন অনুযায়ী একটি আসন রাখার সুযোগ থাকায় তিনি বগুড়া-৬ ছেড়ে দিয়ে ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন। এরপর নির্বাচন কমিশন বগুড়া-৬ আসনটি শূন্য ঘোষণা করলে সেখানে উপনির্বাচন নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।বগুড়া শহরজুড়ে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের বড় একটি অংশ জিয়া পরিবারের কাউকে প্রার্থী করার পক্ষে মত দিচ্ছেন। সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন ডা.জোবাইদা রহমান, শর্মিলা রহমান সিঁথি ও জাইমা রহমান
।
স্থানীয় নেতাদের দাবি, জিয়া পরিবারের বাইরে কাউকে মনোনয়ন দিলে জয় নিশ্চিত করা কঠিন হতে পারে।জেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা জানান, সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে বগুড়া-৬ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে তারেক রহমান দুই লাখ ১৬ হাজার ২৮৪ ভোট পেয়ে বিপুল ব্যবধানে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আবিদুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পান ৯৭ হাজার ৬২৬ ভোট। জামায়াতের এ ভোটসংখ্যা ভবিষ্যৎ নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন তারা।
জিয়া পরিবারের বাইরে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সভাপতি ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা, সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট এ কে এম মাহবুবুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চাঁন, আলী আজগর তালুকদার হেনা ও সাবেক সংসদ সদস্য হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু।
বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি ডা. আফসারুল হাবীব রোজ বলেন, আসনটি ধরে রাখতে জিয়া পরিবারের সদস্যই সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য হবেন। তবে প্রয়োজনে ডা. পাভেলকেও শক্ত প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। জেলা বিএনপির আরও কয়েকজন নেতা জানান, ভোটারদের আবেগ ও প্রত্যাশার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রার্থী নির্ধারণ করা উচিত।
এদিকে ঢাকা-১৭ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে তারেক রহমান ৭২ হাজার ৬৯৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এস এম খালিদুজ্জামান পান ৬৮ হাজার ৩০০ ভোট।বগুড়া-৬ উপনির্বাচনে এখনো দলীয় মনোনয়ন চূড়ান্ত হয়নি। তবে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে জিয়া পরিবারের প্রার্থীতার দাবিই সবচেয়ে জোরালো হয়ে উঠেছে। দলীয় হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন সবাই।



















