০৪:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেছেন নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়ার প্রত্যাশা

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিক্ষিপ্ত বা বিচ্ছিন্ন সহিংসতা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) মিডিয়া রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এমআরডিআই) ও ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ডিকাব) আয়োজিত এক প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আসছে জাতীয় নির্বাচনে বিক্ষিপ্ত বা বিচ্ছিন্ন সহিংসতা হতে পারে। কিন্তু তারপরও বাংলাদেশের মানুষ শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের প্রত্যাশা করছে।

তিনি বলেন, ‘৯১ থেকে এখন পর্যন্ত সব নির্বাচনেই সহিংসতা ছিল। তবে এবারের নির্বাচনে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। এজন্য সাংবাদিকদের যথেষ্ট দায়িত্ব আছে এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তাও খুব জরুরি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

‘৯১ এর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের উদাহরণ টেনে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, সেই নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়েছিল। আমার বিশ্বাস, ১২ তারিখের নির্বাচনে সেটা ছাড়িয়ে যাবে।

এদিন অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে জাতিসংঘের উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি বলেন, নিরাপদ নির্বাচনের স্বার্থে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা খুবই জরুরি। বিশেষ করে ডিজিটাল স্পেসে নারী প্রার্থী ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তার ওপর জোর দেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

আপডেট: ০১:১০:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
৫৯

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেছেন নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়ার প্রত্যাশা

আপডেট: ০১:১০:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিক্ষিপ্ত বা বিচ্ছিন্ন সহিংসতা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) মিডিয়া রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এমআরডিআই) ও ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ডিকাব) আয়োজিত এক প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আসছে জাতীয় নির্বাচনে বিক্ষিপ্ত বা বিচ্ছিন্ন সহিংসতা হতে পারে। কিন্তু তারপরও বাংলাদেশের মানুষ শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের প্রত্যাশা করছে।

তিনি বলেন, ‘৯১ থেকে এখন পর্যন্ত সব নির্বাচনেই সহিংসতা ছিল। তবে এবারের নির্বাচনে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। এজন্য সাংবাদিকদের যথেষ্ট দায়িত্ব আছে এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তাও খুব জরুরি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

‘৯১ এর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের উদাহরণ টেনে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, সেই নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়েছিল। আমার বিশ্বাস, ১২ তারিখের নির্বাচনে সেটা ছাড়িয়ে যাবে।

এদিন অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে জাতিসংঘের উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি বলেন, নিরাপদ নির্বাচনের স্বার্থে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা খুবই জরুরি। বিশেষ করে ডিজিটাল স্পেসে নারী প্রার্থী ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তার ওপর জোর দেন তিনি।