সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে নির্বাচনী জনসভায় রিকশা প্রতীকে ভোট চাইলেন আল্লামা মামুনুল হক
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে নির্বাচনী জনসভায় রিকশা প্রতীকে ভোট চাইলেন আল্লামা মামুনুল হক
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর ১০ দলীয় নির্বাচনী জোটের অন্যতম নেতা আল্লামা মুহাম্মদ মামুনুল হক বলেছেন, দেশের কৃষক, শ্রমিক, দিনমজুর বিশেষ করে রেমিট্যান্স যোদ্ধা ভাই ও বোনেরা নিজেদের রক্ত পানি করে পয়সা উপার্জন করে যে সম্পদ তৈরী করে তা দেশের জন্য আশির্বাদ।
বাংলাদেশের মেহনতি মানুষের পরিশ্রম ও তাদের উপার্জনের মাধ্যমে এদেশে উন্নয়ন হওয়ার কথা, ভাগ্যে পরিবর্তন হওয়ার কথা কিন্ত দূর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা দেখেছি রাজনৈতিক ব্যক্তিরা নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করে দেশের ভাগ্য নয়। রাজনৈতিক দলগুলো ক্ষমতায় এসে দেশের মানুষকে সেবার নামে, শাসনের নামে শোষন করেন। শাসনের নামে মানুষের অধিকার কেড়ে নেয়। তাই জুলাই বিপ্লবের পর এদেশের মেধাবী ছাত্র জনতা, এদেশের বঞ্চিত মানুষ, সর্ব শ্রেনীর নাগরিকবৃন্দ জুলাই সনদের মাধ্যমে প্রমাণ করেছে বাংলাদেশের পরিবর্তনের জন্য বড় রাজনৈতিক দলগুলো সম্পূর্ন রূপে ব্যর্থ হয়েছে। তাই আগামী নির্বাচনে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে আমরা ইসলামী সমমনা বৃহত্তর দলগুলো ঐক্যবদ্ধ হয়েছি।
তিনি ইনসাফ ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে রিকসা মাকায় ভোট দিয়ে এডভোকেট শাহীনুর পাশা চৌধুরীকে বিজয়ী করার আহবান জানান।
২৭ জানুয়ারী মঙ্গলবার বিকেলে জগন্নাথপুর স্বরূপ চন্দ্র সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সুনামগঞ্জ -৩ (জগন্নাথপুর -শান্তিগঞ্জ) আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী সাবেক এমপি এডভোকেট শাহীনুর পাশা চৌধুরীর নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেছেন।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস জগন্নাথপুর উপজেলার সভাপতি মাওলানা আব্দুল মুনঈম কামালী শাহীনের সভাপতিত্বে সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর-শান্তিগঞ্জ) আসনের সাবেক এমপি এডভোকেট শাহীনুর পাশা চৌধুরী বলেছেন, ১৯৯২সাল থেকে এ পর্যন্ত আপনাদের সুখে দু:খে আমি পাশে ছিলাম। অতীতের ন্যায় এবার আপনাশের নিকট রিকশা প্রতীক নিয়ে হাজির হয়েছি।
অতীতে আপনাদের পাশে থেকে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন, টিপাইমূখে বাঁধ নির্মাণ করার প্রতিবাদ, মোদী বিরোধী আন্দোলন ও চার- চার বার জোটের প্রার্থী হওয়ার কারণে আমাকে ফ্যাসিস্ট সরকার ইতেকাফ থেকে গ্রেফতার করে। কারাগারে আমার উপর যেভাবে নির্যাতন করা হয়েছে ভোক্তভোগী ছাড়া কেউ বুঝবেনা। আমি আপনাদের সন্তান হিসেবে আমার অতীতের সকল ভূলক্রুটিকে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখে রিকশা প্রতীককে বিজয়ের প্রতীক হিসেবে বেছে নিয়ে ১০দলীয় জোটের হাতকে শক্তিশালী করার অনুরোধ জানাই।
সুনামগঞ্জ জেলা খেলাফত মজলিসের যুগ্ম সম্পাদক মাওলানা সাইফুর রহমান সাজাওয়ার, মুফতি আকমল হোসেন ও উপজেলার যুগ্ম সম্পাদক তারেক আহমদের যৌথ পরিচালনায় জনসভায় বক্তব্য রাখেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা মশিউর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ ফয়ছল, কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা জহিরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় ছাত্র মজলিস নেতা মো: আব্দুল আজিজ, সুনামগঞ্জ জেলা খেলাফত মজলিসের সাবেক সভাপতি মুছা মোল্লা, সাবেক সভাপতি মাওলানা নুরুল আলম খান জাহাঙ্গীর, উপদেষ্ঠা মাওলানা সৈয়দ আমিরুল ইসলাম, জেলা সাধারন হাফেজ সৈয়দ জয়নুল ইসলাম, দিরাই উপজেলা খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওলানা আব্দুস সালাম, জগন্নাথপুর উপজেলা খেলাফত মজলিসের সিনিয়র সহ-সভাপতি নুরুজ্জামান, জগন্নাথপুর উপজেলা খেলাফত শ্রমিক মজলিসের সভাপতি অলিউর রহমান চান মিয়া, সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়ন খেলাফত মজলিস সভাপতি সৈয়দ ছানাওয়ার আলী, বিশ্বনাথ উপজেলা খেলাফত মজলিসের সেক্রেটারী আব্দুল বাছিত, জগন্নাথপুর উপজেলা খেলাফত মজলিসের প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা ফজলুর রহমান, পৌর খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওলানা নুরুল হক নিজামী, আশারকান্দি ইউনিয়ন খেলাফত মজলিসের সাধারন সম্পাদক মাওলানা শফিকুল ইসলাম, মিরপুর ইউনিয়ন খেলাফত মজলিসের সাধারন সম্পাদক কাওছার আহমদ চৌধুরী, কলকলিয়া ইউনিয়ন খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাহফুজুল আলম সামরান, উপজেলা খেলাফত মজলিসের অফিস সম্পাদক শামীম আহমদ, সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্র মজলিস নেতা আমিরুল ইসলাম প্রমূখ।
শুরুতে পরিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন হাফেজ আব্দুল করিম।












