০১:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রাজশাহী চেম্বার অব কমার্সে নতুন সদস্য সংগ্রহের কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক

তন্ময় দেবনাথ, রাজশাহী থেকে:

রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন সদস্য সংগ্রহের কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, শেষ সময়ের পর ফাঁকা ফরম পূরণ করে ভুয়া সদস্য বাড়ানোর চেষ্টা হয়েছে।

গত বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কয়েকজন সাধারণ সদস্য ও ব্যবসায়ী চেম্বার অফিসে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন। তারা জানান, নতুন সদস্য সংগ্রহের কাজে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে এবং তা তারা হাতে-নাতে ধরেছেন।

ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, ১৭ সেপ্টেম্বর বিকাল ৫টা পর্যন্ত পুরাতন ও নতুন মিলিয়ে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৮১৮ জন। কিন্তু পরদিন ১৮ সেপ্টেম্বর দেখা যায়, ভোটার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ২০৫ জন। অর্থাৎ এক রাতের ব্যবধানে হঠাৎ ৩৮৭ জন নতুন ভোটার যুক্ত হয়।

তাদের দাবি, শেষ সময়ে জমা পড়া অনেক ফরমই ছিল ফাঁকা। পরে সেগুলো পূরণ করে বর্তমান সভাপতি মাসুদুর রহমান রিংকু তার ঘনিষ্ঠ লোকজনকে সদস্য বানানোর চেষ্টা করছেন।

ব্যবসায়ী শাকিল অভিযোগ করে বলেন, “সভাপতি রিংকু তার নিজের লোকজনকে ঢুকাতে ফাঁকা ফরম পূরণ করেছেন। ”

এই সময় উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান সুমন, ইঞ্জিনিয়ার শাকিলুর রহমান, আসাউদ্দৌলা, আহসান হাবিব, হারুনর রশিদ প্রমুখ।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সভাপতি মাসুদুর রহমান রিংকুর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

চেম্বার কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

আপডেট: ০৪:০২:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
৯১

রাজশাহী চেম্বার অব কমার্সে নতুন সদস্য সংগ্রহের কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট: ০৪:০২:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

তন্ময় দেবনাথ, রাজশাহী থেকে:

রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন সদস্য সংগ্রহের কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, শেষ সময়ের পর ফাঁকা ফরম পূরণ করে ভুয়া সদস্য বাড়ানোর চেষ্টা হয়েছে।

গত বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কয়েকজন সাধারণ সদস্য ও ব্যবসায়ী চেম্বার অফিসে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন। তারা জানান, নতুন সদস্য সংগ্রহের কাজে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে এবং তা তারা হাতে-নাতে ধরেছেন।

ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, ১৭ সেপ্টেম্বর বিকাল ৫টা পর্যন্ত পুরাতন ও নতুন মিলিয়ে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৮১৮ জন। কিন্তু পরদিন ১৮ সেপ্টেম্বর দেখা যায়, ভোটার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ২০৫ জন। অর্থাৎ এক রাতের ব্যবধানে হঠাৎ ৩৮৭ জন নতুন ভোটার যুক্ত হয়।

তাদের দাবি, শেষ সময়ে জমা পড়া অনেক ফরমই ছিল ফাঁকা। পরে সেগুলো পূরণ করে বর্তমান সভাপতি মাসুদুর রহমান রিংকু তার ঘনিষ্ঠ লোকজনকে সদস্য বানানোর চেষ্টা করছেন।

ব্যবসায়ী শাকিল অভিযোগ করে বলেন, “সভাপতি রিংকু তার নিজের লোকজনকে ঢুকাতে ফাঁকা ফরম পূরণ করেছেন। ”

এই সময় উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান সুমন, ইঞ্জিনিয়ার শাকিলুর রহমান, আসাউদ্দৌলা, আহসান হাবিব, হারুনর রশিদ প্রমুখ।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সভাপতি মাসুদুর রহমান রিংকুর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

চেম্বার কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।