০১:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

রাজশাহীতে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ এতপর: প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ

তন্ময় দেবনাথ, রাজশাহী থেকে:

​সম্প্রতি দৈনিক যুগান্তর, প্রথম আলো, আজকের পত্রিকা ও বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে “স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার ইজারা নেওয়া পার্ক মিলেমিশে দখলে নিয়েছে জামায়াত-বিএনপি” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

উক্ত সংবাদে রাজশাহী মহানগর যুবদলের সদস্য আরিফুজ্জামান সোহেল এর নাম জড়িয়ে যে তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মনগড়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি উক্ত মিথ্যা সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন রাজশাহী মহানগর যুবদলের সদস্য ও আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদের সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার আরিফুজ্জামান সোহেল।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, প্রকাশিত সংবাদে পার্কটি ‘দখল’ করার যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ কল্পনাপ্রসূত। প্রকৃত সত্য হলো, পার্কের বর্তমান ইজারাদারদের ( ইঞ্জি: মো: শাকিলুর রহমান এবং নাসিম খান) এর সাথে আমার দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত ও ছোট ভাই বড় ভাই সম্পর্ক রয়েছে। সেই সুবাদে সম্পর্কের খাতিরে পার্কটির আধুনিকায়ন ও উন্নয়নের জন্য আমি ব্যক্তিগতভাবে কিছু অর্থ বিনিয়োগ করেছি। এছাড়া ও যেহেতু আমি একজন শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের সৈনিক তাই আবেগের যায়গা থেকেই ” শহিদ জিয়া শিশু পার্ক ” নামটি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে। এটি একটি সাধারণ ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত এবং উন্নয়নের লক্ষ্যে করা বিনিয়োগ মাত্র। একে ‘দখল’ বা ‘অবৈধ নিয়ন্ত্রণ’ হিসেবে প্রচার করা সম্পূর্ণ অনভিপ্রেত।

বিনিয়োগের প্রয়োজনীয় নথিপত্র সময় সাপেক্ষে ও যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা হবে। তিনি আরো বলেন, প্রতিবেদনে আমাকে পার্কের তথাকথিত ‘মালিক পক্ষ’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর। পার্কের ইজারা বা আইনি পরিচালনার কোনো চুক্তিতে আমার নাম নেই। কেবলমাত্র বন্ধুত্বের খাতিরে বিনিয়োগের বিষয়টি নিয়ে আমাকে মালিক সাজিয়ে জনমনে আমার প্রতি নেতিবাচক ধারণা তৈরি ও রাজনৈতি ভাবে হেয় করার চেষ্টা করা হয়েছে।

সংবাদে আমার বরাতে জনৈক ব্যক্তিকে সাড়ে ১৯ লাখ টাকা দেওয়ার যে তথ্য প্রচার করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ বানোয়াট। আমি সংবাদে উল্লিখিত ওই ধরনের কোনো বক্তব্য কোথাও প্রদান করিনি এবং এ জাতীয় কোনো আর্থিক লেনদেনের সাথেও আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

গত ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানের পর একটি চিহ্নিত স্বার্থান্বেষী মহল রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে গণমাধ্যমকে ভুল তথ্য দিয়ে আমার দীর্ঘদিনের পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। যথাযথ তথ্য যাচাই না করে একজন রাজনৈতিক কর্মীকে জড়িয়ে এমন একপাক্ষিক ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ সাংবাদিকতার নূন্যতম নৈতিকতার পরিপন্থী।

​আমি স্পষ্টভাবে ঘোষণা করছি যে, শহীদ জিয়া শিশু পার্ক দখল বা এর ইজারা সংক্রান্ত কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ডে আমার কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভূমিকা নেই। আমি আশা করি, সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম গুলো বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রেখে আমার এই প্রতিবাদটি গুরুত্বের সাথে প্রকাশ করে জনমনে সৃষ্ট বিভ্রান্তি দূর করতে সহায়তা করবেন।

​এবং আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশনের জন্য আগামীতে প্রকাশকৃত প্রতিটি সংবাদ সংবাদ মাধ্যমের নামে আমার মানহানির জন্য আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

আপডেট: ১০:৩১:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

রাজশাহীতে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ এতপর: প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট: ১০:৩১:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

তন্ময় দেবনাথ, রাজশাহী থেকে:

​সম্প্রতি দৈনিক যুগান্তর, প্রথম আলো, আজকের পত্রিকা ও বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে “স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার ইজারা নেওয়া পার্ক মিলেমিশে দখলে নিয়েছে জামায়াত-বিএনপি” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

উক্ত সংবাদে রাজশাহী মহানগর যুবদলের সদস্য আরিফুজ্জামান সোহেল এর নাম জড়িয়ে যে তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মনগড়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি উক্ত মিথ্যা সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন রাজশাহী মহানগর যুবদলের সদস্য ও আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদের সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার আরিফুজ্জামান সোহেল।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, প্রকাশিত সংবাদে পার্কটি ‘দখল’ করার যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ কল্পনাপ্রসূত। প্রকৃত সত্য হলো, পার্কের বর্তমান ইজারাদারদের ( ইঞ্জি: মো: শাকিলুর রহমান এবং নাসিম খান) এর সাথে আমার দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত ও ছোট ভাই বড় ভাই সম্পর্ক রয়েছে। সেই সুবাদে সম্পর্কের খাতিরে পার্কটির আধুনিকায়ন ও উন্নয়নের জন্য আমি ব্যক্তিগতভাবে কিছু অর্থ বিনিয়োগ করেছি। এছাড়া ও যেহেতু আমি একজন শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের সৈনিক তাই আবেগের যায়গা থেকেই ” শহিদ জিয়া শিশু পার্ক ” নামটি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে। এটি একটি সাধারণ ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত এবং উন্নয়নের লক্ষ্যে করা বিনিয়োগ মাত্র। একে ‘দখল’ বা ‘অবৈধ নিয়ন্ত্রণ’ হিসেবে প্রচার করা সম্পূর্ণ অনভিপ্রেত।

বিনিয়োগের প্রয়োজনীয় নথিপত্র সময় সাপেক্ষে ও যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা হবে। তিনি আরো বলেন, প্রতিবেদনে আমাকে পার্কের তথাকথিত ‘মালিক পক্ষ’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর। পার্কের ইজারা বা আইনি পরিচালনার কোনো চুক্তিতে আমার নাম নেই। কেবলমাত্র বন্ধুত্বের খাতিরে বিনিয়োগের বিষয়টি নিয়ে আমাকে মালিক সাজিয়ে জনমনে আমার প্রতি নেতিবাচক ধারণা তৈরি ও রাজনৈতি ভাবে হেয় করার চেষ্টা করা হয়েছে।

সংবাদে আমার বরাতে জনৈক ব্যক্তিকে সাড়ে ১৯ লাখ টাকা দেওয়ার যে তথ্য প্রচার করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ বানোয়াট। আমি সংবাদে উল্লিখিত ওই ধরনের কোনো বক্তব্য কোথাও প্রদান করিনি এবং এ জাতীয় কোনো আর্থিক লেনদেনের সাথেও আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

গত ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানের পর একটি চিহ্নিত স্বার্থান্বেষী মহল রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে গণমাধ্যমকে ভুল তথ্য দিয়ে আমার দীর্ঘদিনের পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। যথাযথ তথ্য যাচাই না করে একজন রাজনৈতিক কর্মীকে জড়িয়ে এমন একপাক্ষিক ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ সাংবাদিকতার নূন্যতম নৈতিকতার পরিপন্থী।

​আমি স্পষ্টভাবে ঘোষণা করছি যে, শহীদ জিয়া শিশু পার্ক দখল বা এর ইজারা সংক্রান্ত কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ডে আমার কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভূমিকা নেই। আমি আশা করি, সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম গুলো বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রেখে আমার এই প্রতিবাদটি গুরুত্বের সাথে প্রকাশ করে জনমনে সৃষ্ট বিভ্রান্তি দূর করতে সহায়তা করবেন।

​এবং আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশনের জন্য আগামীতে প্রকাশকৃত প্রতিটি সংবাদ সংবাদ মাধ্যমের নামে আমার মানহানির জন্য আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।