পারস্য উপসাগরে ৪ জাহাজে একযোগে হামলা ইরানের
পারস্য উপসাগরে একযোগে চারটি জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নৌবাহিনীর এই হামলার পর জাহাজগুলোতে আগুন ধরে যায় বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দেয়া এক বিবৃতিতে আইআরজিসির নৌবাহিনী জানায়, বুধবার (২১ অক্টোবর) তাদের বাহিনী চারটি জাহাজের গতিবিধি শনাক্ত করার পর সেগুলোতে একই সময়ে হামলা চালানো হয়। এতে জাহাজগুলোতে আগুন ধরে যায়।
একইসঙ্গে এ অঞ্চলে মার্কিন বাহিনীর উসকানি অব্যাহত থাকলে এর জবাব আরও ব্যাপক হতে পারে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে আইআরজিসি।
এদিকে হরমুজ প্রণালি ও উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ প্রত্যাখ্যান ও এর নিন্দা জানানোর জন্য জাতিসংঘের মহাসচিব এবং নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইরান। জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের প্রতিনিধি গোলামহোসেইন দারজি এই আহ্বান জানান।
ইরানের সরকারি বার্তাসংস্থা ইরনার প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাষ্ট্রদূত গোলামহোসেইন দারজি নিরাপত্তা পরিষদকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি সামরিক আগ্রাসন বন্ধ এবং নৌ অবরোধ তুলে নেয়ার আহ্বান জানানোর অনুরোধও করেছেন।
জাতিসংঘের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে দারজি বলেন, যেকোনো আগ্রাসনের জবাবে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করবে ইরান। অন্যদিকে ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলছে—এমন ধারণা নাকচ করে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে পরিস্থিতির সমাধান ‘খুব শিগগিরই’ হবে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক ও অর্থনৈতিক—দুই দিক থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ‘খুব ভালো করছে’। চলমান যুদ্ধকে তিনি ‘ইরানের বিরুদ্ধে একটি ছোটখাটো সংঘাত’ হিসেবে বর্ণনা করেন।
জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হয়, তিনি ইরানের সঙ্গে আলোচনার চেষ্টা ছেড়ে দিয়েছেন কি না। জবাবে তিনি বলেন, ‘না, আমার মনে হয় না। আমরা আলোচনা করছি না—তবে যেকোনো একভাবে একটা সমাধান হবে। খুব শিগগিরই তা হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, ‘বেশিরভাগ মানুষ মনে করেন, নির্বাচনের পরই কিছু একটা ঘটবে। দেখা যাক কী হয়।’ ট্রাম্প আরও বলেন, ‘তবে একটা কথা বলব, ইরানের বিরুদ্ধে আমরা যা করেছি, তা অসাধারণ।
























