০৭:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

এই একটা সময় বড্ড একা লাগে…” – পরীমনির হৃদয়ছোঁয়া আক্ষেপ

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ

ছবিঃ সংগৃহীত

ঢালিউড তারকা পরীমনি এবার ফেসবুকে প্রকাশ করলেন নিজের একাকিত্বের অনুভূতি। বাবা-মা অনেক আগেই চলে গেছেন, নানার স্নেহেই বড় হয়েছেন তিনি। কিন্তু ২০২৩ সালের নভেম্বরে সেই নানাকেও হারিয়েছেন। সাবেক স্বামী শরিফুল রাজের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর একাই সামলাচ্ছেন জীবন, সন্তান এবং দায়িত্ব নেওয়া আরেক শিশু। এই একাকিত্বই যেন মাঝে মাঝে তাকে ভীষণ কষ্ট দেয়!

🥀 “একা একা খেতে বসলে নিজেকে এতিম মনে হয়!”

আজ সোমবার সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক পোস্টে পরীমনি লিখেছেন—
“এই যে আমি, কত অসহায় লাগে নিজেকে, যখন একা একা খেতে বসতে হয়! শুধু এই একটা সময়ই নিজেকে বড্ড একা লাগে। এতিম লাগে!”

তিনি জানান, আগে কখনো বোঝেননি যে এতটা একা হয়ে পড়বেন! কারণ তার নানাভাই শামসুল হক গাজী সব সময় পাশে ছিলেন। এখন সন্তানদের ঘুম পাড়ানোর পর নিজেকে নিয়ে ভাবার সময় পেলেও খাবারের সামনে একা বসে আর খেতে পারেন না

“আমি জানি, একদিন সব বদলাবে!”

পরীমনি আরও লেখেন, “আমি সব সয়ে নতুন করে বাঁচার মানুষ। আমি জানি, আমার বাচ্চারা বড় হয়ে গেলে আবার নতুন করে সুখী মানুষ হয়ে যাব আমি। তখন আর একা খেতে হবে না!”

🔴 কঠিন সময়েও নিজের ভবিষ্যতের প্রতি আশাবাদী পরীমনি। তার এই মনের কথাগুলো যেন অনেকেরই হৃদয়ে দাগ কাটে! ❤️

Please Share This Post in Your Social Media

আপডেট: ১০:৪০:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫
২২০

এই একটা সময় বড্ড একা লাগে…” – পরীমনির হৃদয়ছোঁয়া আক্ষেপ

আপডেট: ১০:৪০:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫

ছবিঃ সংগৃহীত

ঢালিউড তারকা পরীমনি এবার ফেসবুকে প্রকাশ করলেন নিজের একাকিত্বের অনুভূতি। বাবা-মা অনেক আগেই চলে গেছেন, নানার স্নেহেই বড় হয়েছেন তিনি। কিন্তু ২০২৩ সালের নভেম্বরে সেই নানাকেও হারিয়েছেন। সাবেক স্বামী শরিফুল রাজের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর একাই সামলাচ্ছেন জীবন, সন্তান এবং দায়িত্ব নেওয়া আরেক শিশু। এই একাকিত্বই যেন মাঝে মাঝে তাকে ভীষণ কষ্ট দেয়!

🥀 “একা একা খেতে বসলে নিজেকে এতিম মনে হয়!”

আজ সোমবার সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক পোস্টে পরীমনি লিখেছেন—
“এই যে আমি, কত অসহায় লাগে নিজেকে, যখন একা একা খেতে বসতে হয়! শুধু এই একটা সময়ই নিজেকে বড্ড একা লাগে। এতিম লাগে!”

তিনি জানান, আগে কখনো বোঝেননি যে এতটা একা হয়ে পড়বেন! কারণ তার নানাভাই শামসুল হক গাজী সব সময় পাশে ছিলেন। এখন সন্তানদের ঘুম পাড়ানোর পর নিজেকে নিয়ে ভাবার সময় পেলেও খাবারের সামনে একা বসে আর খেতে পারেন না

“আমি জানি, একদিন সব বদলাবে!”

পরীমনি আরও লেখেন, “আমি সব সয়ে নতুন করে বাঁচার মানুষ। আমি জানি, আমার বাচ্চারা বড় হয়ে গেলে আবার নতুন করে সুখী মানুষ হয়ে যাব আমি। তখন আর একা খেতে হবে না!”

🔴 কঠিন সময়েও নিজের ভবিষ্যতের প্রতি আশাবাদী পরীমনি। তার এই মনের কথাগুলো যেন অনেকেরই হৃদয়ে দাগ কাটে! ❤️