০৯:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬

জিয়াউর রহমানের মুক্তির মধ্য দিয়ে জাতি নতুন করে পথের দিশা পেয়েছিল: রিজভী

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

৭ নভেম্বরের বিপ্লবের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ প্রকৃত স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব শক্তিশালী করার অঙ্গীকার খুঁজে পেয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মুক্তির মধ্য দিয়ে গোটা জাতি নতুন করে পথের দিশা পেয়েছিল।

শনিবার (৭ নভেম্বর) শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এসব কথা বলেন তিনি। রিজভী বলেন, ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি মাত্র দুই-তিন মিনিটের মধ্যে গোটা জাতিকে চিরতরে শৃঙ্খলিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। বাকশাল প্রতিষ্ঠা ও আইন প্রণয়নের মাধ্যমে জনগণের কাছ থেকে নাগরিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়। এরপর নিজেদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি সংঘাত ও রক্তপাতের ঘটনায় দেশে অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পুরো দেশ তখন অনিশ্চয়তা ও অন্ধকারে ঢেকে যায়।

তিনি বলেন, সেই সময় মানুষের আকাঙ্ক্ষা ছিল প্রকৃত স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের স্বাদ ফিরে পাওয়া। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সেই প্রত্যাশা পূরণ করেছিলেন।

রিজভী আরও বলেন, ২৩ নভেম্বর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও তার পরিবারকে ক্যান্টনমেন্টের বাসায় বন্দি করে রাখা হয়। এতে স্বাধীনভাবে বিকশিত হওয়ার স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা হতাশায় পরিণত হয়। দেশের মানুষ চরম অরাজকতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে। চারদিকে তৈরি হয় আতঙ্ক।

তিনি বলেন, ৭ নভেম্বর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান মুক্তি লাভ করেন। তার মুক্তির মধ্য দিয়ে গোটা জাতি আবার নতুন করে পথের দিশা খুঁজে পায়।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করে বিএনপির এই নেতা বলেন, তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়ন ও উৎপাদনে এগিয়ে যায়। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়। একই সঙ্গে দেশের মানুষ বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরে পায়।

Please Share This Post in Your Social Media

আপডেট: ১০:৫৭:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
১০

জিয়াউর রহমানের মুক্তির মধ্য দিয়ে জাতি নতুন করে পথের দিশা পেয়েছিল: রিজভী

আপডেট: ১০:৫৭:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

৭ নভেম্বরের বিপ্লবের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ প্রকৃত স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব শক্তিশালী করার অঙ্গীকার খুঁজে পেয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মুক্তির মধ্য দিয়ে গোটা জাতি নতুন করে পথের দিশা পেয়েছিল।

শনিবার (৭ নভেম্বর) শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এসব কথা বলেন তিনি। রিজভী বলেন, ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি মাত্র দুই-তিন মিনিটের মধ্যে গোটা জাতিকে চিরতরে শৃঙ্খলিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। বাকশাল প্রতিষ্ঠা ও আইন প্রণয়নের মাধ্যমে জনগণের কাছ থেকে নাগরিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়। এরপর নিজেদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি সংঘাত ও রক্তপাতের ঘটনায় দেশে অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পুরো দেশ তখন অনিশ্চয়তা ও অন্ধকারে ঢেকে যায়।

তিনি বলেন, সেই সময় মানুষের আকাঙ্ক্ষা ছিল প্রকৃত স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের স্বাদ ফিরে পাওয়া। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সেই প্রত্যাশা পূরণ করেছিলেন।

রিজভী আরও বলেন, ২৩ নভেম্বর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও তার পরিবারকে ক্যান্টনমেন্টের বাসায় বন্দি করে রাখা হয়। এতে স্বাধীনভাবে বিকশিত হওয়ার স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা হতাশায় পরিণত হয়। দেশের মানুষ চরম অরাজকতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে। চারদিকে তৈরি হয় আতঙ্ক।

তিনি বলেন, ৭ নভেম্বর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান মুক্তি লাভ করেন। তার মুক্তির মধ্য দিয়ে গোটা জাতি আবার নতুন করে পথের দিশা খুঁজে পায়।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করে বিএনপির এই নেতা বলেন, তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়ন ও উৎপাদনে এগিয়ে যায়। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়। একই সঙ্গে দেশের মানুষ বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরে পায়।