০১:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬

পর্যটকদের জন্য খুললো সেন্টমার্টিন

দীর্ঘ ১০ মাস বন্ধ থাকার পর পর্যটকদের জন্য খুলেছে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন। রোববার (১ নভেম্বর) থেকে দ্বীপে পর্যটক ভ্রমণের অনুমতি দেওয়া হলেও এখনো শুরু হয়নি কক্সবাজার থেকে জাহাজ চলাচল। সরকারের নির্ধারিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন সর্বোচ্চ সাড়ে তিন হাজার পর্যটক সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করতে পারবেন। পর্যটন মৌসুমকে সামনে রেখে দ্বীপের হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও রেস্তোরাঁগুলোও পর্যটকদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত করা হয়েছে।

তবে দ্বীপ ভ্রমণের অনুমতি মিললেও নৌযান চলাচল নিয়ে এখনো কয়েকটি প্রশাসনিক জটিলতা রয়ে গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র পেয়েছে তিনটি জাহাজ। কিন্তু জাহাজগুলোর জন্য নৌপরিবহন অধিদপ্তরের ভয়েজ লাইসেন্স এবং বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) রুট পারমিট এখনো পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি জাহাজ চলাচলের সময়সূচিও চূড়ান্ত হয়নি।

এদিকে পর্যটকদের টিকিট বিক্রির জন্য বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের নির্ধারিত সফটওয়্যারও এখনো চালু করা সম্ভব হয়নি। ফলে প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও টিকিট ব্যবস্থাপনার কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন নৌপথে নিয়মিত জাহাজ চলাচল শুরু করা যাচ্ছে না।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আশা, বাকি অনুমোদন ও প্রশাসনিক কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন হবে। সে ক্ষেত্রে আগামী ৫ থেকে ৬ নভেম্বরের মধ্যে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু করা সম্ভব হতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

আপডেট: ১১:৪৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
১

পর্যটকদের জন্য খুললো সেন্টমার্টিন

আপডেট: ১১:৪৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

দীর্ঘ ১০ মাস বন্ধ থাকার পর পর্যটকদের জন্য খুলেছে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন। রোববার (১ নভেম্বর) থেকে দ্বীপে পর্যটক ভ্রমণের অনুমতি দেওয়া হলেও এখনো শুরু হয়নি কক্সবাজার থেকে জাহাজ চলাচল। সরকারের নির্ধারিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন সর্বোচ্চ সাড়ে তিন হাজার পর্যটক সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করতে পারবেন। পর্যটন মৌসুমকে সামনে রেখে দ্বীপের হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও রেস্তোরাঁগুলোও পর্যটকদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত করা হয়েছে।

তবে দ্বীপ ভ্রমণের অনুমতি মিললেও নৌযান চলাচল নিয়ে এখনো কয়েকটি প্রশাসনিক জটিলতা রয়ে গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র পেয়েছে তিনটি জাহাজ। কিন্তু জাহাজগুলোর জন্য নৌপরিবহন অধিদপ্তরের ভয়েজ লাইসেন্স এবং বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) রুট পারমিট এখনো পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি জাহাজ চলাচলের সময়সূচিও চূড়ান্ত হয়নি।

এদিকে পর্যটকদের টিকিট বিক্রির জন্য বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের নির্ধারিত সফটওয়্যারও এখনো চালু করা সম্ভব হয়নি। ফলে প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও টিকিট ব্যবস্থাপনার কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন নৌপথে নিয়মিত জাহাজ চলাচল শুরু করা যাচ্ছে না।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আশা, বাকি অনুমোদন ও প্রশাসনিক কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন হবে। সে ক্ষেত্রে আগামী ৫ থেকে ৬ নভেম্বরের মধ্যে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু করা সম্ভব হতে পারে।