০৩:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

লিবিয়ার বন্দিশালা থেকে দেশে ফিরলেন ১৭২ বাংলাদেশি

লিবিয়ার মিসরাতা থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরেছেন ১৭২ জন অনিয়মিত বাংলাদেশি নাগরিক। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোর ৪টা ৫১ মিনিটে বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে তারা বাংলাদেশে ফেরেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। বিমানবন্দরে প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের অভ্যর্থনা জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আইওএম-এর কর্মকর্তারা।

প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বেশিরভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন বলে জানা গেছে। তাদের অনেকে বিভিন্ন সময়ে লিবিয়ায় অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

জনসচেতনতা বাড়াতে প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের প্রতি তাদের দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা সবার সঙ্গে বিনিময়ের অনুরোধ জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

আইওএম-এর পক্ষ থেকে প্রত্যাবাসিত প্রত্যেককে যাতায়াত খরচ, কিছু খাদ্যসামগ্রী ও প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা একসঙ্গে কাজ করছে।

Please Share This Post in Your Social Media

আপডেট: ০২:৪১:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
০

লিবিয়ার বন্দিশালা থেকে দেশে ফিরলেন ১৭২ বাংলাদেশি

আপডেট: ০২:৪১:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

লিবিয়ার মিসরাতা থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরেছেন ১৭২ জন অনিয়মিত বাংলাদেশি নাগরিক। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোর ৪টা ৫১ মিনিটে বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে তারা বাংলাদেশে ফেরেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। বিমানবন্দরে প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের অভ্যর্থনা জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আইওএম-এর কর্মকর্তারা।

প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বেশিরভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন বলে জানা গেছে। তাদের অনেকে বিভিন্ন সময়ে লিবিয়ায় অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

জনসচেতনতা বাড়াতে প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের প্রতি তাদের দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা সবার সঙ্গে বিনিময়ের অনুরোধ জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

আইওএম-এর পক্ষ থেকে প্রত্যাবাসিত প্রত্যেককে যাতায়াত খরচ, কিছু খাদ্যসামগ্রী ও প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা একসঙ্গে কাজ করছে।