১২:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গণমাধ্যমকে ‘ক্যানসার’ বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

হোয়াইট হাউসে প্রধান সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রবেশাধিকার বাতিলের প্রতিবাদে মার্কিন টেলিভিশন নেটওয়ার্কগুলো ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাভারেজ একযোগে বয়কট করেছে। এই নজিরবিহীন সংবাদ বর্জনের মুখেও বিন্দুমাত্র পিছু না হটে গণমাধ্যমকে ‘আমেরিকার ক্যান্সার’ বলে আখ্যা দিয়েছেন সাবেক ও বর্তমান এই মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সিএনএন, এমএস নাও এবং পলিটিকো -কে হোয়াইট হাউসে প্রবেশে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তার দাবি, এই সংবাদমাধ্যমগুলো ক্রমাগত মিথ্যা ও কাল্পনিক তথ্য পরিবেশন করছে।

সিএনএন ও এমএস নাও-এর দায়ের করা মামলায় হোয়াইট হাউসের এই নিষেধাজ্ঞা অবিলম্বে বাতিল করার আবেদন জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে আদালতের কাছে এটিকে মার্কিন সংবিধানের প্রথম সংশোধনী-যা স্বাধীন বাকপ্রকৃতির অধিকার রক্ষা করে-তার স্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে ঘোষণার দাবি জানানো হয়।

আদালতে জমা দেওয়া নথিতে সংস্থাগুলো উল্লেখ করে, ‘এই নিষেধাজ্ঞা সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর এর চেয়ে প্রত্যক্ষ হামলা কিংবা আমাদের সবচেয়ে মৌলিক সাংবিধানিক নীতির এর চেয়ে স্পষ্ট লঙ্ঘন আর হতে পারে না।’

তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এতে বিন্দুমাত্র অনুশোচনা প্রকাশ করেননি; বরং গণমাধ্যমকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি এবং ‘ক্যান্সার’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।

তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ তিনি লেখেন, ‘হোয়াইট হাউস স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের ওপর আঘাত হানছে না-যা আমি নিজে গভীর শ্রদ্ধার চোখে দেখি। এটি আসলে ‘ভুয়া খবর’ বা ফেক নিউজের বিরুদ্ধে আঘাত হানছে, যা আমাদের প্রিয় যুক্তরাষ্ট্রে ক্যান্সারের মতো ছড়িয়ে পড়েছে।

এদিকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স-রাজনীতিতে আসার আগে যিনি সিএনএন-এর ভাষ্যকার হিসেবে কাজ করতেন-এই সংবাদমাধ্যমগুলোর বিরুদ্ধে ‘বামপন্থী প্রোপাগান্ডা’ ছড়ানোর অভিযোগ তুলেছেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, তারা এখনো প্রতিবেদন প্রকাশ করতে পারে, তাদের বাকস্বাধীনতার চর্চাও অব্যাহত রয়েছে। সমস্যা একটাই, তারা আর হোয়াইট হাউসে কোনো দাপ্তরিক জায়গা পাচ্ছে না। সূত্র: এনডিটিভি

Please Share This Post in Your Social Media

আপডেট: ১১:৩৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গণমাধ্যমকে ‘ক্যানসার’ বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

আপডেট: ১১:৩৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হোয়াইট হাউসে প্রধান সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রবেশাধিকার বাতিলের প্রতিবাদে মার্কিন টেলিভিশন নেটওয়ার্কগুলো ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাভারেজ একযোগে বয়কট করেছে। এই নজিরবিহীন সংবাদ বর্জনের মুখেও বিন্দুমাত্র পিছু না হটে গণমাধ্যমকে ‘আমেরিকার ক্যান্সার’ বলে আখ্যা দিয়েছেন সাবেক ও বর্তমান এই মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সিএনএন, এমএস নাও এবং পলিটিকো -কে হোয়াইট হাউসে প্রবেশে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তার দাবি, এই সংবাদমাধ্যমগুলো ক্রমাগত মিথ্যা ও কাল্পনিক তথ্য পরিবেশন করছে।

সিএনএন ও এমএস নাও-এর দায়ের করা মামলায় হোয়াইট হাউসের এই নিষেধাজ্ঞা অবিলম্বে বাতিল করার আবেদন জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে আদালতের কাছে এটিকে মার্কিন সংবিধানের প্রথম সংশোধনী-যা স্বাধীন বাকপ্রকৃতির অধিকার রক্ষা করে-তার স্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে ঘোষণার দাবি জানানো হয়।

আদালতে জমা দেওয়া নথিতে সংস্থাগুলো উল্লেখ করে, ‘এই নিষেধাজ্ঞা সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর এর চেয়ে প্রত্যক্ষ হামলা কিংবা আমাদের সবচেয়ে মৌলিক সাংবিধানিক নীতির এর চেয়ে স্পষ্ট লঙ্ঘন আর হতে পারে না।’

তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এতে বিন্দুমাত্র অনুশোচনা প্রকাশ করেননি; বরং গণমাধ্যমকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি এবং ‘ক্যান্সার’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।

তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ তিনি লেখেন, ‘হোয়াইট হাউস স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের ওপর আঘাত হানছে না-যা আমি নিজে গভীর শ্রদ্ধার চোখে দেখি। এটি আসলে ‘ভুয়া খবর’ বা ফেক নিউজের বিরুদ্ধে আঘাত হানছে, যা আমাদের প্রিয় যুক্তরাষ্ট্রে ক্যান্সারের মতো ছড়িয়ে পড়েছে।

এদিকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স-রাজনীতিতে আসার আগে যিনি সিএনএন-এর ভাষ্যকার হিসেবে কাজ করতেন-এই সংবাদমাধ্যমগুলোর বিরুদ্ধে ‘বামপন্থী প্রোপাগান্ডা’ ছড়ানোর অভিযোগ তুলেছেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, তারা এখনো প্রতিবেদন প্রকাশ করতে পারে, তাদের বাকস্বাধীনতার চর্চাও অব্যাহত রয়েছে। সমস্যা একটাই, তারা আর হোয়াইট হাউসে কোনো দাপ্তরিক জায়গা পাচ্ছে না। সূত্র: এনডিটিভি