ক্ষমতায় যাওয়ার আগে যারা জনগণের জন্য নিরাপদ নয়, ক্ষমতায় গেলে তারা আরও ভয়ংকর হবে : ডা. শফিকুর রহমান
ক্ষমতায় যাওয়ার আগে যারা জনগণের জন্য নিরাপদ নয়, ক্ষমতায় গেলে তারা আরও ভয়ংকর হবে : ডা. শফিকুর রহমান
ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই যাদের হাতে দেশের জনগণ নিরাপদ নয়, তারা ক্ষমতায় গেলে জনগণের জন্য আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠবে—এমন মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে নোয়াখালীর মাইজদী শহরের জেলা স্কুল মাঠে আয়োজিত ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “যারা ধৈর্য ধরতে পারেনি এবং বিভিন্ন অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছে—আল্লাহর কসম, ক্ষমতায় যাওয়ার আগে যদি তাদের হাতে জনগণ নিরাপদ না হয়, তাহলে ক্ষমতায় যাওয়ার পর জনগণ আরও বেশি ঝুঁকির মধ্যে পড়বে।”
তিনি আরও বলেন, “যারা দেশকে ভালোবাসার প্রমাণ দিতে পেরেছে, তাদের হাতে দেশ গেলে ভালোবাসার একটি বাংলাদেশ গড়া সম্ভব। মানুষ এখন বুঝতে পেরেছে। তাই সারা বাংলায় ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে বাঁধভাঙা জোয়ার শুরু হয়েছে।”
নোয়াখালীসহ সারা দেশের মানুষের ভালোবাসার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “আমি যেখানে যাচ্ছি, সেখানেই মানুষের অকুণ্ঠ ভালোবাসা পাচ্ছি। বিশেষ করে জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া যুবসমাজ ১৩ তারিখ থেকে একটি নতুন বাংলাদেশ দেখার জন্য মুখিয়ে আছে। তারা বুঝে গেছে—জুলাই চেতনার আকাঙ্ক্ষা কারা বাস্তবায়ন করতে পারবে।”
দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা সরকারি কর্মচারীদের ন্যায্য দাবি ও বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পে কমিশনের কাছে যথাযথ সুপারিশ চাইব, যেন একজন সরকারি কর্মচারীকে চাকরির পর দ্বিতীয় কোনো আয়ের পথ খুঁজতে না হয় এবং টেবিলের নিচে হাত দিতে না হয়। এরপরও যারা সততার পথ ছেড়ে দেবেন, সংশোধন না হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
সমাবেশে নোয়াখালী জেলা জামায়াতের আমীর ইসহাক খন্দকারের সভাপতিত্বে ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।











