০৩:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশের শ্রমিক আন্দোলন নিয়ে যা বললো ভারত

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে শ্রমিকদের বিক্ষোভ ঘিরে সৃষ্ট অস্থিরতার দিকে ভারত কড়া নজর রাখছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভের কারণে বাংলাদেশে পরিস্থিতির অবনতি হলে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও আঞ্চলিক সরবরাহ ব্যবস্থায় প্রভাব পড়তে পারে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছি। সেখানে বিভিন্ন ঘটনা ঘটেছে এবং আমরা সেগুলোর ওপর নজর অব্যাহত রেখেছি।

তিনি আরও বলেন, ‘ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমরা ইতিবাচক, ভবিষ্যৎমুখী ও গঠনমূলক সম্পর্কের দিকে এগোতে চাই। সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়েও প্রশ্ন করা হয়। গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি প্রসঙ্গে জয়সওয়াল বলেন, দুই দেশের মধ্যে যৌথ নদী কমিশন রয়েছে। গঙ্গাসহ অভিন্ন নদীগুলোর বিষয়ে আলোচনার জন্য এটিই নির্ধারিত কাঠামো।

১৯৯৬ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি সই হয়েছিল। ৩০ বছর মেয়াদি এ চুক্তির মেয়াদ চলতি বছর শেষ হওয়ার কথা।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের সম্ভাবনা নিয়েও প্রশ্ন করা হয়। জয়সওয়াল বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ আগেই জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য থাকলে তা জানানো হবে।

এর আগে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং দুই দেশের সম্পর্ক নিয়েও বিভিন্ন প্রশ্ন ওঠে। তবে এসব বিষয়ে জয়সওয়াল বিস্তারিত মন্তব্য না করে দুই দেশের মধ্যে ইতিবাচক ও গঠনমূলক সম্পর্ক গড়ে তোলার প্রত্যাশার কথাই পুনর্ব্যক্ত করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

আপডেট: ১১:১৬:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
৩

বাংলাদেশের শ্রমিক আন্দোলন নিয়ে যা বললো ভারত

আপডেট: ১১:১৬:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে শ্রমিকদের বিক্ষোভ ঘিরে সৃষ্ট অস্থিরতার দিকে ভারত কড়া নজর রাখছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভের কারণে বাংলাদেশে পরিস্থিতির অবনতি হলে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও আঞ্চলিক সরবরাহ ব্যবস্থায় প্রভাব পড়তে পারে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছি। সেখানে বিভিন্ন ঘটনা ঘটেছে এবং আমরা সেগুলোর ওপর নজর অব্যাহত রেখেছি।

তিনি আরও বলেন, ‘ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমরা ইতিবাচক, ভবিষ্যৎমুখী ও গঠনমূলক সম্পর্কের দিকে এগোতে চাই। সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়েও প্রশ্ন করা হয়। গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি প্রসঙ্গে জয়সওয়াল বলেন, দুই দেশের মধ্যে যৌথ নদী কমিশন রয়েছে। গঙ্গাসহ অভিন্ন নদীগুলোর বিষয়ে আলোচনার জন্য এটিই নির্ধারিত কাঠামো।

১৯৯৬ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি সই হয়েছিল। ৩০ বছর মেয়াদি এ চুক্তির মেয়াদ চলতি বছর শেষ হওয়ার কথা।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের সম্ভাবনা নিয়েও প্রশ্ন করা হয়। জয়সওয়াল বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ আগেই জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য থাকলে তা জানানো হবে।

এর আগে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং দুই দেশের সম্পর্ক নিয়েও বিভিন্ন প্রশ্ন ওঠে। তবে এসব বিষয়ে জয়সওয়াল বিস্তারিত মন্তব্য না করে দুই দেশের মধ্যে ইতিবাচক ও গঠনমূলক সম্পর্ক গড়ে তোলার প্রত্যাশার কথাই পুনর্ব্যক্ত করেন।