০৪:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

সুদানে স্বর্ণের খনিতে বিমান হামলা মিশরের, নিহত ৭২ শ্রমিক

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ

সুদান-মিশর সীমান্তবর্তী এলাকার একটি স্বর্ণের খনিতে বিমান হামলায় অন্তত ৭২ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। একটি সুদানি সংস্থার বরাতে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যমআল জাজিরা জানিয়েছে, পাহাড়ি ওই অঞ্চলে হামলার পর বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিরা সেখানে চরম ‘বিশৃঙ্খলার দৃশ্য’ বর্ণনা করেছেন।

সুদানের যুদ্ধের সময় সংঘটিত নৃশংসতার তথ্য নথিভুক্তকারী সংস্থা ‘ইমার্জেন্সি লয়ার্স’ এই হামলার জন্য মিশরীয় সামরিক বাহিনীকে দায়ী করেছে। খারতুমভিত্তিক অধিকার সংগঠনটি রোববার (১১ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ লিখেছে, ‘মিশরীয় যুদ্ধবিমানগুলো সুদানি ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে উত্তর ওয়াদি এলাকায় বেসামরিক খনি শ্রমিকদের লক্ষ্য করে হামলা চালায়। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এতে ৭২ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।
শনিবারের (১০ অক্টোবর) এই হামলার খবরটি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে আল জাজিরা। আর মিশর সরকারও এ বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।

স্বর্ণসমৃদ্ধ পাহাড়ি সীমান্ত অঞ্চল জাবাল আল-উকাইদাতে চলতি বছরে এটি দ্বিতীয় হামলা। এর আগে গত জুনে একই স্বর্ণখনির এলাকায় অনুরূপ বিমান হামলায় ২৩ জন শ্রমিক নিহত হয়েছিলেন। তখনও হামলার জন্য মিশরকে দায়ী করা হয়েছিল।

মিশরীয় সামরিক বাহিনী সেসময় জানিয়েছিল, নিজেদের সীমান্তের ভেতরে অবৈধ স্বর্ণখনির বিরুদ্ধে একটি ‘বড় পরিসরে অভিযান’ পরিচালনা করেছে তারা। সুদান ও মিশর সীমান্ত নিয়ে উভয় দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। দুই দেশই সম্পদসমৃদ্ধ হালায়েব ত্রিকোণ অঞ্চলের ওপর নিজেদের দাবি জানিয়ে আসছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এবং স্থানীয় অধিকার গোষ্ঠীগুলোর প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, ধ্বংসস্তূপের মধ্যে ডজন ডজন মৃতদেহ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। অন্যগুলোকে কাফনে মোড়ানো হয়েছে। ওই এলাকায় বিমান হামলার কথা জানিয়েছেন খনি শ্রমিকরা।

Please Share This Post in Your Social Media

আপডেট: ১০:৪৪:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
৪

সুদানে স্বর্ণের খনিতে বিমান হামলা মিশরের, নিহত ৭২ শ্রমিক

আপডেট: ১০:৪৪:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

সুদান-মিশর সীমান্তবর্তী এলাকার একটি স্বর্ণের খনিতে বিমান হামলায় অন্তত ৭২ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। একটি সুদানি সংস্থার বরাতে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যমআল জাজিরা জানিয়েছে, পাহাড়ি ওই অঞ্চলে হামলার পর বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিরা সেখানে চরম ‘বিশৃঙ্খলার দৃশ্য’ বর্ণনা করেছেন।

সুদানের যুদ্ধের সময় সংঘটিত নৃশংসতার তথ্য নথিভুক্তকারী সংস্থা ‘ইমার্জেন্সি লয়ার্স’ এই হামলার জন্য মিশরীয় সামরিক বাহিনীকে দায়ী করেছে। খারতুমভিত্তিক অধিকার সংগঠনটি রোববার (১১ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ লিখেছে, ‘মিশরীয় যুদ্ধবিমানগুলো সুদানি ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে উত্তর ওয়াদি এলাকায় বেসামরিক খনি শ্রমিকদের লক্ষ্য করে হামলা চালায়। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এতে ৭২ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।
শনিবারের (১০ অক্টোবর) এই হামলার খবরটি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে আল জাজিরা। আর মিশর সরকারও এ বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।

স্বর্ণসমৃদ্ধ পাহাড়ি সীমান্ত অঞ্চল জাবাল আল-উকাইদাতে চলতি বছরে এটি দ্বিতীয় হামলা। এর আগে গত জুনে একই স্বর্ণখনির এলাকায় অনুরূপ বিমান হামলায় ২৩ জন শ্রমিক নিহত হয়েছিলেন। তখনও হামলার জন্য মিশরকে দায়ী করা হয়েছিল।

মিশরীয় সামরিক বাহিনী সেসময় জানিয়েছিল, নিজেদের সীমান্তের ভেতরে অবৈধ স্বর্ণখনির বিরুদ্ধে একটি ‘বড় পরিসরে অভিযান’ পরিচালনা করেছে তারা। সুদান ও মিশর সীমান্ত নিয়ে উভয় দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। দুই দেশই সম্পদসমৃদ্ধ হালায়েব ত্রিকোণ অঞ্চলের ওপর নিজেদের দাবি জানিয়ে আসছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এবং স্থানীয় অধিকার গোষ্ঠীগুলোর প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, ধ্বংসস্তূপের মধ্যে ডজন ডজন মৃতদেহ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। অন্যগুলোকে কাফনে মোড়ানো হয়েছে। ওই এলাকায় বিমান হামলার কথা জানিয়েছেন খনি শ্রমিকরা।