০৫:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

দিল্লির বিক্ষোভস্থলে কাউকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না, কঠোর অবস্থানে পুলিশ

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আজ দিল্লির যন্তরমন্তরে জড়ো হওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতাকর্মী ও বিক্ষোভকারীরা। তবে তাদের ঠেকাতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার কঠোর অবস্থান নেয়। তারা দিল্লিগামী ট্রেন, দিল্লির মেট্রো এবং বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়। দিল্লি পুলিশের লক্ষ্য ছিল যন্তরমন্তরে যেন কেউ কোনোভাবে অবস্থান না নিতে পারেন।

সংবাদমাধ্যম বিবিসির সাংবাদিক গীতা পান্ডে যন্তরমন্তর থেকে জানিয়েছেন, সেখানে পুলিশ কর্মকর্তারা সাড়িবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছেন, মাথার উপর ড্রোন উড়ছে এবং জায়গায় জায়গায় ভারী লোহার ব্যারিকেড বসানো হয়েছে। সেখানে কাউকেই প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি সংবাদ সংগ্রহে যাওয়া কিছু সাংবাদিককেও আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন গীতা। তিনি বলেছেন, সংবাদমাধ্যম নিউজলন্ড্রি এবং স্ক্রলের সাংবাদিকদের পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে।

এছাড়া সাধারণ বিক্ষোভকারীদের ওপরও ধরপাকড় অব্যাহত আছে। গতকাল শুক্রবার রাত থেকে আজ শনিবার দুপুর পর্যন্ত প্রায় এক হাজার বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। যারমধ্যে ককরোচ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দ্বীপকে সহ শীর্ষ নেতা আছেন।

এছাড়া জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীকেও তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি জার্মানি থেকে এই আন্দোলনে যোগ দিতে ভারতে আসেন।

ভারতের নির্বাচন কমিশনার বিভিন্ন রাজ্যে কয়েক কোটি ভোটারকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে। এর প্রতিবাদে আজকে যন্তরমন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল তারা।

এরআগে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের জেরে যন্তরমন্তরে দীর্ঘ আন্দোলন করে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগে বাধ্য করেছিল ককরোচ জনতা পার্টি। এখন তারা প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেন্দ্র কুমারের পদত্যাগ চাইছেন। সূত্র: বিবিসি

Please Share This Post in Your Social Media

আপডেট: ০৪:৪৭:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
০

দিল্লির বিক্ষোভস্থলে কাউকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না, কঠোর অবস্থানে পুলিশ

আপডেট: ০৪:৪৭:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আজ দিল্লির যন্তরমন্তরে জড়ো হওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতাকর্মী ও বিক্ষোভকারীরা। তবে তাদের ঠেকাতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার কঠোর অবস্থান নেয়। তারা দিল্লিগামী ট্রেন, দিল্লির মেট্রো এবং বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়। দিল্লি পুলিশের লক্ষ্য ছিল যন্তরমন্তরে যেন কেউ কোনোভাবে অবস্থান না নিতে পারেন।

সংবাদমাধ্যম বিবিসির সাংবাদিক গীতা পান্ডে যন্তরমন্তর থেকে জানিয়েছেন, সেখানে পুলিশ কর্মকর্তারা সাড়িবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছেন, মাথার উপর ড্রোন উড়ছে এবং জায়গায় জায়গায় ভারী লোহার ব্যারিকেড বসানো হয়েছে। সেখানে কাউকেই প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি সংবাদ সংগ্রহে যাওয়া কিছু সাংবাদিককেও আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন গীতা। তিনি বলেছেন, সংবাদমাধ্যম নিউজলন্ড্রি এবং স্ক্রলের সাংবাদিকদের পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে।

এছাড়া সাধারণ বিক্ষোভকারীদের ওপরও ধরপাকড় অব্যাহত আছে। গতকাল শুক্রবার রাত থেকে আজ শনিবার দুপুর পর্যন্ত প্রায় এক হাজার বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। যারমধ্যে ককরোচ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দ্বীপকে সহ শীর্ষ নেতা আছেন।

এছাড়া জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীকেও তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি জার্মানি থেকে এই আন্দোলনে যোগ দিতে ভারতে আসেন।

ভারতের নির্বাচন কমিশনার বিভিন্ন রাজ্যে কয়েক কোটি ভোটারকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে। এর প্রতিবাদে আজকে যন্তরমন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল তারা।

এরআগে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের জেরে যন্তরমন্তরে দীর্ঘ আন্দোলন করে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগে বাধ্য করেছিল ককরোচ জনতা পার্টি। এখন তারা প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেন্দ্র কুমারের পদত্যাগ চাইছেন। সূত্র: বিবিসি