• শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ১০:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রাম নবমীতে শান্তি শৃঙ্খলা ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ মমতার কপিলমুনিতে বাসস চেয়ারম্যানের শুভাগমন উপলক্ষে ঈদ পুনর্মিলন অনুষ্ঠান ষড়যন্ত্র আরও বেশি দানা বাঁধবে ভোটের রোডম্যাপ ঘোষণা না হলে ড. ইউনূস জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ পড়বেন ৬৬৮১ রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ আইন মন্ত্রণালয়ের চাটখিল উপজেলা প্রেসক্লাবের আয়োজনে ইফতার ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফিরলো ২১ বাংলাদেশি  নোয়াখালীর কবিরহাটে শিশুকে যৌন নিপীড়ন, গ্রেপ্তার-১ সাধারণ মানুষের স্বার্থে ট্রাফিক ও জানজট মুক্ত করতে সাব ট্রাফিক স্টেশন উদ্বোধনে পুলিশ সুপার বাংলাদেশ ন্যাশনাল নিউজ ক্লাব ও বাংলাদেশ ভূমিহীন গৃহহীন হাউজিং লিঃ পরিবারের পক্ষ থেকে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

বগুড়ায় নয়া উদ্ভাবিত ডায়াবেটিক রাইস চাষে ব্যপক সাড়া ফেলেছে কৃষক আলী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
আপডেটঃ : মঙ্গলবার, ১৪ মে, ২০২৪

বিকাশ স্বর্নকার, বগুড়া প্রতিনিধি:

বগুড়া সোনাতলায় নয়া উদ্ভাবিত ডায়াবেটিক রাইস ধান চাষে ব্যপক সাড়া ফেলেছে কৃষক মোহাম্মদ আলী। তিনি পরিক্ষা মুলক ভাবে ১একর জমিতে এ জাতের ধান রোপণ করেছেন। তবে হাড়ভাঙা পরিশ্রমের কারণে তার জমিতে ধানের হয়েছে বাম্পার ফলন। কৃষক মোহাম্মদ আলী জানান,আমি এই উপজেলায় প্রথম এ জাতের ধান রোপণ করেছি হয়েছে ভালো ফলন। প্রতিনিয়ত জমির ধান এক নজর দেখার উৎসুক জনতার ভিড় লেগেই থাকে এবং অনেকেই জাতটির বীজ চেয়েছেন। যদিও চিকিৎসকরা ইতিপূর্বে ডায়াবেটিক আক্রান্ত রুগীদের পরামর্শ দিতেন,দুবেলা রুটি পরিমান মতো ভাত।

সম্প্রতি দেশে নতুন উদ্ভাবিত ধানের চালের ভাত তিনবেলা খেতে পারবেন ডায়াবেটিক রোগীরা। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছেন,নতুন উদ্ভাবিত ব্রি-১০৫ জাতটি শুধুমাত্র বোরো মৌসুমেই জমিতে রোপণের উপযুক্ত সময়। তবে ২০২১সালে বীজটি উদ্ভাবিত হলেও ২০২৩সালে বীজ বোর্ডের ১০৯তম সভায় লো-জিআই সমৃদ্ধ উচ্চ ফলনশীল হিসেবে দেশজুড়ে চাষাবাদের জন্য অবমুক্ত করা হয়।বেশকিছু গুণাবলী রয়েছে জাতটির উল্লেখযোগ্য হলো,গাছটি লম্বাহয়,পাতা খাড়া,ধানের দানার রং খড়ের মতো চাল মাঝারি চিকন।

কৃষিবিদ ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন,এই ধানের চালে জিআই এর পরিমাণ কম থাকায় এটি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীরা চালের ভাত খেতে পারে।জিআই তথা গ্লিসেমিক ইনডেক্স ৫৫,ভাতও ঝরঝরে এবং চিকন।এর ফলন ৭.৬ থেকে ৮.৫ টন/হেঃ প্রতি। আগামীতে এই ধানের আবাদ আরো বৃদ্ধি পাবে বলে আমরা মনে করি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ