• শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৯:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রাম নবমীতে শান্তি শৃঙ্খলা ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ মমতার কপিলমুনিতে বাসস চেয়ারম্যানের শুভাগমন উপলক্ষে ঈদ পুনর্মিলন অনুষ্ঠান ষড়যন্ত্র আরও বেশি দানা বাঁধবে ভোটের রোডম্যাপ ঘোষণা না হলে ড. ইউনূস জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ পড়বেন ৬৬৮১ রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ আইন মন্ত্রণালয়ের চাটখিল উপজেলা প্রেসক্লাবের আয়োজনে ইফতার ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফিরলো ২১ বাংলাদেশি  নোয়াখালীর কবিরহাটে শিশুকে যৌন নিপীড়ন, গ্রেপ্তার-১ সাধারণ মানুষের স্বার্থে ট্রাফিক ও জানজট মুক্ত করতে সাব ট্রাফিক স্টেশন উদ্বোধনে পুলিশ সুপার বাংলাদেশ ন্যাশনাল নিউজ ক্লাব ও বাংলাদেশ ভূমিহীন গৃহহীন হাউজিং লিঃ পরিবারের পক্ষ থেকে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

নিবর্তনমূলক আইন প্রবর্তন করেছে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
আপডেটঃ : বুধবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৩

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

কোনো কোনো রাষ্ট্র নিত্যনতুন আইন করে নানা সত্যকে ধামাচাঁপা দিতে স্বচেষ্ট হচ্ছে। সুখের বিষয় গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি ও সিভিল সোসাইটির ক্রমবর্ধমান বিকাশ, তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত এবং প্রায় অপ্রতিরুদ্ধ অগ্রযাত্রা এবং প্রতিটি জনগোষ্ঠীর মুক্তবুদ্ধিবৃত্তি ও তার মনোজাগতিক বিকাশ এই প্রবণতার বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধ নিয়ে দাঁড়িয়ে গেছে। সরকার ইচ্ছে করলেই সবকিছু করতে পারছে না। মুক্ত তথ্য প্রবাহ থেকে মানুষকে বঞ্চিত রাখা এখন আর সম্ভব হচ্ছে না।

বলাই বাহুল্য, তথ্য লাভের অধিকার একটি স্বীকৃত গণতান্ত্রিক অধিকার যুগের দাবি যা থেকে মানুষকে বঞ্চিত করা যাবে না। প্রতিষ্ঠিত গণমাধ্যমের বাইরেও বর্তমান যুগে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করেছে সামাজিক গণমাধ্যম, যা মানুষের হাতের নাগালে এবং তাৎক্ষণিকভাবে তথ্যসমৃদ্ধ করে মানুষকে। সামাজিক গণমাধ্যমগুলোর ভালোমন্দ দিক বা কুপ্রভাব নিয়ে অবশ্যই বিতর্কের অবকাশ আছে। সহজলভ্য ও তথ্যের দ্রুত বিস্তার ঘটায় বলে বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী এর বিস্তর অপব্যবহার করে। আবার অনেক দেশেই সরকার থেকে এগুলোর ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয় বিশেষ প্রয়োজনের কথা বলে।

কিন্তু এ সবের পরও সামাজিক গণমাধ্যমের প্রভাব ও বিস্তারকে অস্বীকার করার জো নেই। বলতেই হবে, যুগের বিবর্তনে রাষ্ট্রশক্তিই কেবল স্বাধীন সাংবাদিকতার একমাত্র প্রতিপক্ষ থাকেনি। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বহুবিধ নতুন প্রতিপক্ষ যারা শক্তিধর এবং মুক্ত, স্বাধীন সাংবাদিকতার কণ্ঠরোধ করার ক্ষমতা রাখে, নিয়ন্ত্রণ বা বিধিনিষেধে আবদ্ধ করে। আজকের দিনে স্বাধীন সাংবাদিকতা, মুক্তচিন্তা ও স্বাধীন মতপ্রকাশের প্রবল প্রতিপক্ষ হিসেবে যারা দণ্ডায়মান আমরা ক্রমেই হয়তো তাদের দাসত্ব মেনে নিতে বাধ্য হচ্ছি। কিন্ত এখন সময় এসেছে কথা বলতে হবে সাংবাদিকদের। অধিকার আদায় করতে হবে।

কারন সাংবাদিকতা সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করে। সামাজিক দায়বদ্ধতা, মানবাধিকার সংরক্ষণ, অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধাচারণ, দুর্বল জনগোষ্ঠীর পক্ষধারণসহ নৈতিকতার ভিত্তি আছে বলে এ পেশা সমাজকে এগিয়ে নেয়, গণতন্ত্রকে বিকশিত করে, অনুপ্রাণীত করে। আমার বিশ্বাস, বস্তুনিষ্ঠ শান্তিবাদী সাংবাদিকতা এ প্রেক্ষাপটে যোগ্য ভূমিকা রাখতে পারে। কারণ নৈতিকতা সম্পন্ন বলিষ্ঠ সাংবাদিকতা একদিকে যেমন বিশ্বাসযোগ্য তথ্য সরবরাহ করে, নেতিবাচক বিষয়েই কেবল সীমাবদ্ধ থাকে না, থাকতে হয় তাকে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন এবং নিরপেক্ষ পর্যালোচনায় সমাজকে শিক্ষিত ও দায়িত্ববান করার দায়িত্বেও। অন্য সব পেশা থেকে সাংবাদিকতার স্বাতন্ত্র্য এখানেই।

কাজেই সাংবাদিকতার দায়বদ্ধতা এবং পরিধি, দেশকালপাত্র নির্বিশেষে, নিরূপণের সুযোগ আমাদের খুজে নিতে হবে। আমরা কে কতটা পারবো বা পারবো না তা তাদের নিজস্ব চেতনা ও সামর্থ্যরে ব্যাপার। কিন্তু এ সত্য কখনোই অনস্বীকার্য নয় যে, সাংবাদিকতা সত্য ও শান্তির স্বার্থে ভূমিকা রাখার উপযুক্ত বাহন। অবশ্যই স্বাধীন সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠিত হবে এই প্রত্যাশা আমার।

লেখক ও গভেষকঃ
আওরঙ্গজেব কামাল
সভাপতি,ঢাকা প্রেস ক্লাব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ