• মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ০২:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বগুড়ায় ভোট গ্রহনকারী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে তিন উপজেলায় আওয়ামী লীগ নেতারা বিজয়ী বগুড়ায় নানা আয়োজনে জেলা কর্মশালা-২০২৪ অনুষ্ঠিত ধামরাইয়ে আওয়ামী লীগের পাঁচ পদধারী প্রার্থীদের হারিয়ে আব্দুল লতিফ উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত মধুপুরে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান-চাল সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস-২০২৪ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইলের মধুপুরে হজ্জ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বাঁশখালী লবন শ্রমিক কল্যান ইউনিয়ন-এর নির্বাহী কমিটি গঠিত ৪ বার পুরস্কৃার পেলেন গ্রাম পুলিশ ময়না দাস সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম শাখার সভা অনুষ্ঠিত

ধামরাইয়ে খামারে খাবার খাওয়া পর ১১টি গরুর মৃত্যু

News Desk
আপডেটঃ : বুধবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৩

রনজিত কুমার পাল (বাবু),স্টাফ রিপোর্টারঃ

ঢাকার ধামরাই উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নে একটি গরুর খামারে সকালে খাবার দেওয়ার দুই ঘণ্টার ব্যবধানে ১১টি ফ্রিজিয়ান জাতের গরু মারা গেছে। এ’নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার (২১ আগস্ট) সকালে ধামরাই উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের কাজীপাড়া এলাকার আসাদ অ্যাগ্রো ফার্মে এ ঘটনা ঘটে।

খামারের গরুগুলো পরিচর্যার দায়িত্বে থাকা মোঃ সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘প্রতিদিনের মতো সকাল ৭টায় আমি গরুগুলোকে খাবার দিই। খাবার খাওয়ার সময় সব গরু স্বাভাবিক ছিল।খাবার খাওয়ানো শেষ করে আমি বাড়ি যাই। ঘণ্টাখানেক পরে আমাকে বাথরুম থেকে জানায় গরুগুলো ঠাস ঠাস কইরা পইরা মারা যাইতেছে।খবর পেয়ে ফার্মে
এসে দেখি সব মারা গেছে।

খামারের মালিক আসাদুজ্জামান খান আসাদ বলেন, আমার খামারে ১৬টি গরু ছিল। এর মধ্যে ১১টি মারা গেছে। সব ফ্রিজিয়ান জাতের গরু। এর মধ্যে ছয়টা গরু গর্ভবতী ছিল, তিনটি ষার ও আড়াই বছর বয়সী দুটি বাছুর ছিলে। একটি গরু দুই-এক দিনের ভেতর বাচ্চা দিত। সব মিলিয়ে ৩০ লাখ টাকার মতো ক্ষতি হয়ে গেল। বাকি ৫টি গরু সরিয়ে ফেলেছি। সেগুলো এখন পর্যন্ত ভালো আছে।

তিনি আরো বলেন, সকালে ফার্মে গরুগুলোকে
খাবার দেওয়ার পর থেকে একে একে গরুগুলি মাটিতে শুয়ে পড়ে। পরে ধীরে ধীরে মৃত্যু হয়। আমরা গত দুই বছর ধরে একই ধরনের খাবার পরিমাণমতো গরুকে খাওয়াচ্ছি। মারা যাবার সময় প্রতিটা গরুর পায়ু পথে দিয়ে রক্ত বের হতে দেখা গেছে। কি কারণে গরুগুলি মারা গেল এজন্য প্রয়োজনীয় নমুনা (খাবার, গোবর, রক্ত) পরীক্ষা করতে দেব।

এ’বিষয়ে ধামরাই উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সেলিম বলেন, আমি ঘটনাটি শুনেছি। আমি ও ভেটারেনারি সার্জন দুজনই ঢাকাতে কো-অর্ডিনেশন মিটিংয়ে আছি। ঘটনাস্থলে আমাদের প্রতিনিধি আমার উপ-সহকারী যাচ্ছেন ওখানে। কি সমস্যা এবং সেখানকার প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ করবে। আমি যতটুকু ধারণা করছি নাইট্রেট পয়জনিং হতে পারে। বর্ষাকালে ঘাসে প্রচুর নাইট্রেট থাকে যে জন্য নাইট্রেট পয়জনিং হয়। এর কারণে একসঙ্গে অনেক গরু মারা যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ