০৯:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬

তিন জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করলো ইরান

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ

জানুয়ারিতে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সময় সশস্ত্র সহিংসতায় অংশ নেয়া এবং ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে অভিযান চালানোর অভিযোগে তিন ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে ইরান। রোববার (৮ নভেম্বর) তাদের ফাঁসি দেয়া হয় বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, জানুয়ারির বিক্ষোভ ঘিরে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইরানে ধারাবাহিকভাবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হচ্ছে। এছাড়া এ তালিকায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিরাও রয়েছেন।

মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া তিন ব্যক্তি হলেন- হাসান দিওবন্দ, হামিদ কাজেমি ও রেজা জাঙ্গানেহ। দেশটির বিচার বিভাগ জানিয়েছে, তারা আগ্নেয়াস্ত্র, গ্রেনেড ও পেট্রলবোমা ব্যবহার করেছেন। এ ছাড়া সরকারি স্থাপনায় আগুন দেয়া এবং কারাজ শহরের একটি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। এতে শহরটির কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।

বিচার বিভাগ আরও জানায়, সরকারি সম্পত্তিতে হামলা ও সহিংসতায় উসকানি দেয়ার ঘটনায় তদন্তের পর সন্দেহভাজন হিসেবে ১১ জানুয়ারি দিওবন্দকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার তত্ত্বাবধানে বিক্ষোভে অংশ নেয়ার অভিযোগে পরে গ্রেপ্তার করা হয় আরও ১০ জনকে।

এর আগে রায়ে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার পাশাপাশি তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশও দেয়া হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট তাদের সাজা বহাল রাখার পর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। এছাড়া অন্য আসামিদের পাঁচ থেকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

আপডেট: ০১:৫৪:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
৫

তিন জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করলো ইরান

আপডেট: ০১:৫৪:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

জানুয়ারিতে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সময় সশস্ত্র সহিংসতায় অংশ নেয়া এবং ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে অভিযান চালানোর অভিযোগে তিন ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে ইরান। রোববার (৮ নভেম্বর) তাদের ফাঁসি দেয়া হয় বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, জানুয়ারির বিক্ষোভ ঘিরে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইরানে ধারাবাহিকভাবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হচ্ছে। এছাড়া এ তালিকায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিরাও রয়েছেন।

মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া তিন ব্যক্তি হলেন- হাসান দিওবন্দ, হামিদ কাজেমি ও রেজা জাঙ্গানেহ। দেশটির বিচার বিভাগ জানিয়েছে, তারা আগ্নেয়াস্ত্র, গ্রেনেড ও পেট্রলবোমা ব্যবহার করেছেন। এ ছাড়া সরকারি স্থাপনায় আগুন দেয়া এবং কারাজ শহরের একটি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। এতে শহরটির কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।

বিচার বিভাগ আরও জানায়, সরকারি সম্পত্তিতে হামলা ও সহিংসতায় উসকানি দেয়ার ঘটনায় তদন্তের পর সন্দেহভাজন হিসেবে ১১ জানুয়ারি দিওবন্দকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার তত্ত্বাবধানে বিক্ষোভে অংশ নেয়ার অভিযোগে পরে গ্রেপ্তার করা হয় আরও ১০ জনকে।

এর আগে রায়ে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার পাশাপাশি তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশও দেয়া হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট তাদের সাজা বহাল রাখার পর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। এছাড়া অন্য আসামিদের পাঁচ থেকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।