০১:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬

বিষাক্ত ইনজেকশনে ব্যর্থ মৃত্যুদণ্ড, জ্ঞান ফিরেছে ক্রিস্টা পাইকের

যুক্তরাষ্ট্রে বিষাক্ত ইনজেকশনের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর নজিরবিহীনভাবে বেঁচে যাওয়া মার্কিন নারী ক্রিস্টা পাইকের (৫০) জ্ঞান ফিরেছে এবং তিনি কথা বলছেন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা। বিবিসি জানিয়েছে,মৃত্যুদণ্ডচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর গুরুতর শারীরিক জটিলতা নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা পাইকের শারীরিক অবস্থায় এই উন্নতি দেখা গেছে।

১৯৯৫ সালে সংঘটিত একটি হত্যাকাণ্ডের দায়ে টেনেসিতে দণ্ডপ্রাপ্ত পাইককে গত সপ্তাহে পেন্টোবার্বিটাল নামক প্রাণঘাতী ইনজেকশনের দুটি ডোজ দেওয়া হয়। তবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না হওয়ায় তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং চিকিৎসকরা কয়েক দিন ধরে চেষ্টা চালিয়ে তার শরীর থেকে বিষাক্ত রাসায়নিকটি অপসারণ করেন।বিশেষজ্ঞ ও অপরাধবিজ্ঞানীদের মতে, বিষাক্ত ওষুধ শরীরে প্রবেশের পরও কোনো আসামির জ্ঞান ফিরে পাওয়া এবং কথা বলতে পারার ঘটনা ইতিহাসে একেবারেই প্রথম ও চিকিৎসাগতভাবে অভূতপূর্ব। ফোর্ডহ্যাম ল স্কুলের অধ্যাপক ডেবোরা ডেনো জানান, পূর্বে কিছু আসামি ব্যর্থ মৃত্যুদণ্ড থেকে বাঁচলেও তাদের শরীরে ওষুধ প্রবেশ করানো সম্ভব হয়নি। কিন্তু পাইকের ক্ষেত্রে ইনজেকশন দেওয়ার পরও তিনি অলৌকিকভাবে বেঁচে ফিরেছেন।

আইনজীবীরা জানান, পাইকের সুস্থ হয়ে ওঠার প্রক্রিয়া এখনো অনিশ্চিত এবং তাকে দীর্ঘ সময় হাসপাতালে কাটাতে হবে। এ ছাড়া ইনজেকশন দেওয়ার ফলে তার দুটি বাহু মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ঘটনার পর টেনেসির গভর্নর রাজ্যের সব মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত ঘোষণা করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

আপডেট: ১১:০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
১

বিষাক্ত ইনজেকশনে ব্যর্থ মৃত্যুদণ্ড, জ্ঞান ফিরেছে ক্রিস্টা পাইকের

আপডেট: ১১:০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রে বিষাক্ত ইনজেকশনের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর নজিরবিহীনভাবে বেঁচে যাওয়া মার্কিন নারী ক্রিস্টা পাইকের (৫০) জ্ঞান ফিরেছে এবং তিনি কথা বলছেন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা। বিবিসি জানিয়েছে,মৃত্যুদণ্ডচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর গুরুতর শারীরিক জটিলতা নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা পাইকের শারীরিক অবস্থায় এই উন্নতি দেখা গেছে।

১৯৯৫ সালে সংঘটিত একটি হত্যাকাণ্ডের দায়ে টেনেসিতে দণ্ডপ্রাপ্ত পাইককে গত সপ্তাহে পেন্টোবার্বিটাল নামক প্রাণঘাতী ইনজেকশনের দুটি ডোজ দেওয়া হয়। তবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না হওয়ায় তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং চিকিৎসকরা কয়েক দিন ধরে চেষ্টা চালিয়ে তার শরীর থেকে বিষাক্ত রাসায়নিকটি অপসারণ করেন।বিশেষজ্ঞ ও অপরাধবিজ্ঞানীদের মতে, বিষাক্ত ওষুধ শরীরে প্রবেশের পরও কোনো আসামির জ্ঞান ফিরে পাওয়া এবং কথা বলতে পারার ঘটনা ইতিহাসে একেবারেই প্রথম ও চিকিৎসাগতভাবে অভূতপূর্ব। ফোর্ডহ্যাম ল স্কুলের অধ্যাপক ডেবোরা ডেনো জানান, পূর্বে কিছু আসামি ব্যর্থ মৃত্যুদণ্ড থেকে বাঁচলেও তাদের শরীরে ওষুধ প্রবেশ করানো সম্ভব হয়নি। কিন্তু পাইকের ক্ষেত্রে ইনজেকশন দেওয়ার পরও তিনি অলৌকিকভাবে বেঁচে ফিরেছেন।

আইনজীবীরা জানান, পাইকের সুস্থ হয়ে ওঠার প্রক্রিয়া এখনো অনিশ্চিত এবং তাকে দীর্ঘ সময় হাসপাতালে কাটাতে হবে। এ ছাড়া ইনজেকশন দেওয়ার ফলে তার দুটি বাহু মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ঘটনার পর টেনেসির গভর্নর রাজ্যের সব মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত ঘোষণা করেছেন।