১২:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভারতে ভয়াবহ বৃষ্টি-বন্যা-ধস, ৫৬ জনের মৃত্যু

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক

ভারতের উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য উত্তর প্রদেশে টানা তিন দিনের ভারী বর্ষণে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ৫৬ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। রোববার রাজ্যের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা এক বিবৃতিতে প্রাণহানির এই তথ্য জানিয়েছে। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে রাজ্যে আরও সহস্রাধিক বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৪ কোটিরও বেশি মানুষ অধ্যুষিত উত্তর প্রদেশ ভারতের সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য। সাধারণত প্রতি বছরের জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বর্ষা মৌসুমে সেখানে নিয়মিত কালবৈশাখী ও অতিবৃষ্টি দেখা দেয়।

বিবৃতিতে রাজ্যের ত্রাণ কমিশনারের কার্যালয় বলেছে, ‌‌‘‘উত্তর প্রদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে রেকর্ড অতিভারী বর্ষণের কারণে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে ৫৬ জন নিহত ও আরও অনেকে আহত হয়েছেন।

‘‘বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ স্থলভাগে প্রবেশ করায় পুরো অঞ্চলজুড়ে বৃষ্টিপাতের তীব্রতা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে এক হাজারের বেশি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’’

গত কয়েক বছর তীব্র বজ্রঝড় ও বজ্রপাতের মতো চরম আবহাওয়া পরিস্থিতি বৃদ্ধি পাওয়া নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়ে আসছে ভারতের আবহাওয়া অফিস। পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা একে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বলে মনে করছেন।

দেশটির সরকারি হিসাব অনুযায়ী, গত শুক্রবার থেকে রোববারের মধ্যে রাজ্যে গড়ে ৬৬ দশমিক ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। অথচ বছরের এই সময়ে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের গড় মাত্র ৭ দশমিক ৬ মিলিমিটার। সূত্র: এএফপি

Please Share This Post in Your Social Media

আপডেট: ০৪:০৬:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১০

ভারতে ভয়াবহ বৃষ্টি-বন্যা-ধস, ৫৬ জনের মৃত্যু

আপডেট: ০৪:০৬:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভারতের উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য উত্তর প্রদেশে টানা তিন দিনের ভারী বর্ষণে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ৫৬ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। রোববার রাজ্যের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা এক বিবৃতিতে প্রাণহানির এই তথ্য জানিয়েছে। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে রাজ্যে আরও সহস্রাধিক বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৪ কোটিরও বেশি মানুষ অধ্যুষিত উত্তর প্রদেশ ভারতের সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য। সাধারণত প্রতি বছরের জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বর্ষা মৌসুমে সেখানে নিয়মিত কালবৈশাখী ও অতিবৃষ্টি দেখা দেয়।

বিবৃতিতে রাজ্যের ত্রাণ কমিশনারের কার্যালয় বলেছে, ‌‌‘‘উত্তর প্রদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে রেকর্ড অতিভারী বর্ষণের কারণে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে ৫৬ জন নিহত ও আরও অনেকে আহত হয়েছেন।

‘‘বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ স্থলভাগে প্রবেশ করায় পুরো অঞ্চলজুড়ে বৃষ্টিপাতের তীব্রতা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে এক হাজারের বেশি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’’

গত কয়েক বছর তীব্র বজ্রঝড় ও বজ্রপাতের মতো চরম আবহাওয়া পরিস্থিতি বৃদ্ধি পাওয়া নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়ে আসছে ভারতের আবহাওয়া অফিস। পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা একে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বলে মনে করছেন।

দেশটির সরকারি হিসাব অনুযায়ী, গত শুক্রবার থেকে রোববারের মধ্যে রাজ্যে গড়ে ৬৬ দশমিক ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। অথচ বছরের এই সময়ে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের গড় মাত্র ৭ দশমিক ৬ মিলিমিটার। সূত্র: এএফপি