০৫:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গ্যাস নিয়ে বড় সুখবর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক

দেশীয় উৎস থেকে জ্বালানি সরবরাহ বাড়ানোর অংশ হিসেবে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের (বিজিএফসিএল) তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপ থেকে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে নতুন ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। একই সঙ্গে তিতাস-২৯, ৩০ ও ৩১ এবং বাখরাবাদ-১১ নম্বর কূপ থেকে আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে আরও ৫৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

বর্তমান সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গ্যাসের আমদানি-নির্ভরতা কমাতে ও দেশীয় উৎপাদন বাড়াতে নতুন কূপ খনন এবং পুরনো ক্ষেত্রের উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

বিজিএফসিএলের মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন) প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম জানান, শনিবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে তিতাস-২৮ নম্বর কূপের উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধনের পরপরই এটি সরাসরি প্রসেস প্ল্যান্ট হয়ে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।

‘তিতাস ও কামতা ফিল্ডে ৪টি মূল্যায়ন-কাম-উন্নয়ন কূপ খনন’ প্রকল্পের পরিচালক প্রকৌশলী এ কে এম জসীম উদ্দিন জানান, প্রায় ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে চার কূপে এই উন্নয়ন কাজ শুরু হয়। এর মধ্যে ১৩ হাজার ফুট গভীরতার তিতাস-২৮-এর খননকাজ এক মাস আগেই শেষ হয়েছে। অন্য কূপগুলোর কাজও পুরোদমে এগিয়ে চলছে।

সংস্থার গভীর অনুসন্ধান গ্যাস কূপ খনন প্রকল্পের পরিচালক মো. মাহমুদুল নবাব জানান, তিতাস-২৯ নম্বর কূপের মূল খনন শেষ হয়েছে, এখন চলছে লরিং ও আনুষঙ্গিক পরীক্ষা। আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে এটি দৈনিক ১০ থেকে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনে যাবে। পাশাপাশি তিতাস-৩০ নম্বর কূপ থেকে আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে আরও ১০ থেকে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট এবং তিতাস-৩১ নম্বর গভীর অনুসন্ধান কূপ থেকে আগামী দুই-তিন মাসের মধ্যে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার আশা করছে বিজিএফসিএল।

কর্মকর্তারা জানান, তিতাস-৩১-এর কাজ শেষে বাখরাবাদ-১১ নম্বর গভীর কূপ খনন শুরু হবে, যা থেকে মিলবে ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। সব মিলিয়ে বিজিএফসিএলের পাঁচটি নতুন কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে দিনে প্রায় সাড়ে ৬৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস অতিরিক্ত যুক্ত হওয়ার পথ সুগম হচ্ছে।

তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের বর্তমান মজুত প্রায় দেড় ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ)। তবে গভীর অনুসন্ধানমূলক কূপ তিতাস-৩১ সফল হলে সেখানে আরও ২ টিসিএফ নতুন গ্যাসের অনুসন্ধান নিশ্চিত হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা।

Please Share This Post in Your Social Media

আপডেট: ০৫:১৫:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গ্যাস নিয়ে বড় সুখবর

আপডেট: ০৫:১৫:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশীয় উৎস থেকে জ্বালানি সরবরাহ বাড়ানোর অংশ হিসেবে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের (বিজিএফসিএল) তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপ থেকে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে নতুন ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। একই সঙ্গে তিতাস-২৯, ৩০ ও ৩১ এবং বাখরাবাদ-১১ নম্বর কূপ থেকে আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে আরও ৫৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

বর্তমান সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গ্যাসের আমদানি-নির্ভরতা কমাতে ও দেশীয় উৎপাদন বাড়াতে নতুন কূপ খনন এবং পুরনো ক্ষেত্রের উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

বিজিএফসিএলের মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন) প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম জানান, শনিবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে তিতাস-২৮ নম্বর কূপের উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধনের পরপরই এটি সরাসরি প্রসেস প্ল্যান্ট হয়ে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।

‘তিতাস ও কামতা ফিল্ডে ৪টি মূল্যায়ন-কাম-উন্নয়ন কূপ খনন’ প্রকল্পের পরিচালক প্রকৌশলী এ কে এম জসীম উদ্দিন জানান, প্রায় ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে চার কূপে এই উন্নয়ন কাজ শুরু হয়। এর মধ্যে ১৩ হাজার ফুট গভীরতার তিতাস-২৮-এর খননকাজ এক মাস আগেই শেষ হয়েছে। অন্য কূপগুলোর কাজও পুরোদমে এগিয়ে চলছে।

সংস্থার গভীর অনুসন্ধান গ্যাস কূপ খনন প্রকল্পের পরিচালক মো. মাহমুদুল নবাব জানান, তিতাস-২৯ নম্বর কূপের মূল খনন শেষ হয়েছে, এখন চলছে লরিং ও আনুষঙ্গিক পরীক্ষা। আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে এটি দৈনিক ১০ থেকে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনে যাবে। পাশাপাশি তিতাস-৩০ নম্বর কূপ থেকে আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে আরও ১০ থেকে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট এবং তিতাস-৩১ নম্বর গভীর অনুসন্ধান কূপ থেকে আগামী দুই-তিন মাসের মধ্যে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার আশা করছে বিজিএফসিএল।

কর্মকর্তারা জানান, তিতাস-৩১-এর কাজ শেষে বাখরাবাদ-১১ নম্বর গভীর কূপ খনন শুরু হবে, যা থেকে মিলবে ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। সব মিলিয়ে বিজিএফসিএলের পাঁচটি নতুন কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে দিনে প্রায় সাড়ে ৬৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস অতিরিক্ত যুক্ত হওয়ার পথ সুগম হচ্ছে।

তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের বর্তমান মজুত প্রায় দেড় ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ)। তবে গভীর অনুসন্ধানমূলক কূপ তিতাস-৩১ সফল হলে সেখানে আরও ২ টিসিএফ নতুন গ্যাসের অনুসন্ধান নিশ্চিত হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা।