০৪:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান ও বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ৪ দিনের সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে জাপান থেকে তিনি দেশে ফেরেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায় আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

আইএসপিআর জানায়, সফরকালে সেনাপ্রধান জাপানের আইচি-নাগোয়া শহরে অনুষ্ঠিত ২০তম এশিয়ান গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগদান করেন এবং বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে উপস্থিত থেকে এশিয়ান গেমসে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের খেলা প্রত্যক্ষ ও উৎসাহ দেন।

এছাড়া, সেনাবাহিনী প্রধান অলিম্পিক কাউন্সিল অব এশিয়ার (ওসিওএ) সভাপতি শেখ জোয়ান বিন হামাদ আল থানির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন দেশের অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতিদের সঙ্গে আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন।

আইএসপিআর আরও জানায়, এ ধরনের উচ্চ পর্যায়ের মত বিনিময় বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের সার্বিক উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক ক্রীড়া পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ আরও সুসংহত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

আপডেট: ০১:১৪:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান

আপডেট: ০১:১৪:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান ও বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ৪ দিনের সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে জাপান থেকে তিনি দেশে ফেরেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায় আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

আইএসপিআর জানায়, সফরকালে সেনাপ্রধান জাপানের আইচি-নাগোয়া শহরে অনুষ্ঠিত ২০তম এশিয়ান গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগদান করেন এবং বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে উপস্থিত থেকে এশিয়ান গেমসে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের খেলা প্রত্যক্ষ ও উৎসাহ দেন।

এছাড়া, সেনাবাহিনী প্রধান অলিম্পিক কাউন্সিল অব এশিয়ার (ওসিওএ) সভাপতি শেখ জোয়ান বিন হামাদ আল থানির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন দেশের অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতিদের সঙ্গে আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন।

আইএসপিআর আরও জানায়, এ ধরনের উচ্চ পর্যায়ের মত বিনিময় বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের সার্বিক উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক ক্রীড়া পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ আরও সুসংহত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।