০২:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

খুলনার ডুমুরিয়ার খর্নিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় শিক্ষার্থী রাস্তা অবরোধ করে প্রতিবাদ

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া খুলনা প্রতিনিধি:
শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া খুলনা প্রতিনিধি:

খুলনার ডুমুরিয়ার খর্নিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় শিক্ষার্থী রাস্তা অবরোধ করে প্রতিবাদ
 

গত১৫/০১/২৬ইং বৃহস্পতিবার খুলনার ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ছুটির পর ক্লাস রুটিনকে কেন্দ্র করে দুই শিক্ষক আবু মূসা ও জিন্নাত আলি মোড়লের মধ্যে তর্ক-বিতর্কের এক পর্যায়ে মারামারি ও বিদ্যালয়ের সম্পদ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে,যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা শিক্ষার পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

এই ঘটনার প্রতিবাদে রবিবার সকাল ৯টায় বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থী রাস্তা অবরোধ করে প্রতিবাদ জানায়।প্রতিবাদ জানানো গণতান্ত্রিক অধিকার হলেও রাস্তা অবরোধের ফলে সাধারণ জনগণকে ভোগান্তিতে পড়তে হয়,যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের উদ্দেশ্য ন্যায্য হলেও পদ্ধতি আরও সংযত ও দায়িত্বশীল হতে পারত।

এক্ষেত্রে রাস্তা অবরোধের পরিবর্তে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন কিংবা শান্তিপূর্ণভাবে ক্লাস বর্জনের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানানো হলে তা একদিকে যেমন জনদুর্ভোগ এড়ানো যেত, অন্যদিকে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আরও ইতি

বাচকভাবে আকর্ষণ করা সম্ভব হতো।

শিক্ষার্থীদের উচিত শান্তিপূর্ণ ও গঠনমূলক আন্দোলনের মাধ্যমে নিজেদের দাবি তুলে ধরা, যাতে শিক্ষার পরিবেশ বজায় থাকে এবং সমাজের সকল স্তরের মানুষের সহানুভূতি পাওয়া যায়।

ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি,ছাত্রদের ন্যায্য দাবি আদায় পূর্বক দোষী ব্যক্তিকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা।

Please Share This Post in Your Social Media

আপডেট: ১০:৫০:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
১০৩

খুলনার ডুমুরিয়ার খর্নিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় শিক্ষার্থী রাস্তা অবরোধ করে প্রতিবাদ

আপডেট: ১০:৫০:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

খুলনার ডুমুরিয়ার খর্নিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় শিক্ষার্থী রাস্তা অবরোধ করে প্রতিবাদ
 

গত১৫/০১/২৬ইং বৃহস্পতিবার খুলনার ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ছুটির পর ক্লাস রুটিনকে কেন্দ্র করে দুই শিক্ষক আবু মূসা ও জিন্নাত আলি মোড়লের মধ্যে তর্ক-বিতর্কের এক পর্যায়ে মারামারি ও বিদ্যালয়ের সম্পদ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে,যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা শিক্ষার পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

এই ঘটনার প্রতিবাদে রবিবার সকাল ৯টায় বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থী রাস্তা অবরোধ করে প্রতিবাদ জানায়।প্রতিবাদ জানানো গণতান্ত্রিক অধিকার হলেও রাস্তা অবরোধের ফলে সাধারণ জনগণকে ভোগান্তিতে পড়তে হয়,যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের উদ্দেশ্য ন্যায্য হলেও পদ্ধতি আরও সংযত ও দায়িত্বশীল হতে পারত।

এক্ষেত্রে রাস্তা অবরোধের পরিবর্তে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন কিংবা শান্তিপূর্ণভাবে ক্লাস বর্জনের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানানো হলে তা একদিকে যেমন জনদুর্ভোগ এড়ানো যেত, অন্যদিকে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আরও ইতি

বাচকভাবে আকর্ষণ করা সম্ভব হতো।

শিক্ষার্থীদের উচিত শান্তিপূর্ণ ও গঠনমূলক আন্দোলনের মাধ্যমে নিজেদের দাবি তুলে ধরা, যাতে শিক্ষার পরিবেশ বজায় থাকে এবং সমাজের সকল স্তরের মানুষের সহানুভূতি পাওয়া যায়।

ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি,ছাত্রদের ন্যায্য দাবি আদায় পূর্বক দোষী ব্যক্তিকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা।