০৬:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

জনগণের রায় মেনে না নিলে সরকারকে চরম মূল্য দিতে হবে: জামায়াত আমির

জনগণের রায় মেনে না নিলে সরকারকে চরম মূল্য দিতে হবে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে সাত দফা দাবি আদায়ে ১১ দলের লংমার্চ কর্মসূচির অংশ হিসেবে মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে এক পথসভায় তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের রায় ও ভোটের প্রতি সম্মান দেখালে সরকার সম্মানিত হবে। জনগণের এক দফা দাবি মেনে নিলে সরকার সম্মানিত হবে। আর তা না মানলে চরম মূল্য দিতে হবে।

তিনি বলেন, সাত দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যেই ঘর থেকে বের হয়েছি।

সাত দফা দাবি আদায়ে ১১ দলের এটি তৃতীয় লংমার্চ উল্লেখ করে জামায়াতের আমির বলেন, তাদের দাবি স্পষ্ট। তারা জনগণের দাবি নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন। গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষ যে রায় দিয়েছেন, তা অবশ্যই বাস্তবায়ন করতে হবে। এই দাবি বাস্তবায়ন হলে বাকি ছয় দফাও স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাস্তবায়িত হবে বলে তারা বিশ্বাস করেন।

তিনি আরও বলেন, ‘ইনশা আল্লাহ, জনগণের এই দাবি আদায় হবে। দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানি ও সারসংকট নিরসন এবং দুর্নীতি-চাঁদাবাজি বন্ধসহ সাত দফা দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করছে ১১ দল। এর আগে শনিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট থেকে লংমার্চের গাড়িবহর যাত্রা শুরু করে। সকাল পৌনে নয়টার দিকে পোস্তগোলা সেতুসংলগ্ন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় ঢাকা জেলা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শফিকুর রহমান।

সেখানে তিনি পানি ঘোলা না করে জনগণের প্রতি সম্মান জানিয়ে তাদের রায় মেনে নেয়ার আহ্বান জানান। জনগণের রায় বাস্তবায়ন হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

পরে মুন্সিগঞ্জের জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের নেতা-কর্মীদের অংশগ্রহণে লংমার্চের বহর ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে পদ্মা সেতু পাড়ি দিয়ে খুলনার উদ্দেশে রওনা হয়। প্রায় ৪১০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই লংমার্চ খুলনা, যশোর ও ঝিনাইদহ হয়ে কুষ্টিয়ায় শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। পথে একাধিক পথসভা আয়োজন করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

আপডেট: ০৬:৪৫:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
০

জনগণের রায় মেনে না নিলে সরকারকে চরম মূল্য দিতে হবে: জামায়াত আমির

আপডেট: ০৬:৪৫:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

জনগণের রায় মেনে না নিলে সরকারকে চরম মূল্য দিতে হবে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে সাত দফা দাবি আদায়ে ১১ দলের লংমার্চ কর্মসূচির অংশ হিসেবে মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে এক পথসভায় তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের রায় ও ভোটের প্রতি সম্মান দেখালে সরকার সম্মানিত হবে। জনগণের এক দফা দাবি মেনে নিলে সরকার সম্মানিত হবে। আর তা না মানলে চরম মূল্য দিতে হবে।

তিনি বলেন, সাত দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যেই ঘর থেকে বের হয়েছি।

সাত দফা দাবি আদায়ে ১১ দলের এটি তৃতীয় লংমার্চ উল্লেখ করে জামায়াতের আমির বলেন, তাদের দাবি স্পষ্ট। তারা জনগণের দাবি নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন। গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষ যে রায় দিয়েছেন, তা অবশ্যই বাস্তবায়ন করতে হবে। এই দাবি বাস্তবায়ন হলে বাকি ছয় দফাও স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাস্তবায়িত হবে বলে তারা বিশ্বাস করেন।

তিনি আরও বলেন, ‘ইনশা আল্লাহ, জনগণের এই দাবি আদায় হবে। দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানি ও সারসংকট নিরসন এবং দুর্নীতি-চাঁদাবাজি বন্ধসহ সাত দফা দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করছে ১১ দল। এর আগে শনিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট থেকে লংমার্চের গাড়িবহর যাত্রা শুরু করে। সকাল পৌনে নয়টার দিকে পোস্তগোলা সেতুসংলগ্ন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় ঢাকা জেলা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শফিকুর রহমান।

সেখানে তিনি পানি ঘোলা না করে জনগণের প্রতি সম্মান জানিয়ে তাদের রায় মেনে নেয়ার আহ্বান জানান। জনগণের রায় বাস্তবায়ন হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

পরে মুন্সিগঞ্জের জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের নেতা-কর্মীদের অংশগ্রহণে লংমার্চের বহর ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে পদ্মা সেতু পাড়ি দিয়ে খুলনার উদ্দেশে রওনা হয়। প্রায় ৪১০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই লংমার্চ খুলনা, যশোর ও ঝিনাইদহ হয়ে কুষ্টিয়ায় শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। পথে একাধিক পথসভা আয়োজন করা হয়েছে।