০৬:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

বঙ্গোপসাগরে নতুন ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ
ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের পর বঙ্গোপসাগরে আরেকটি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট একটি নিম্নচাপ আগামী ছয় ঘণ্টার মধ্যে গভীর নিম্নচাপে এবং পহেলা নভেম্বরের মধ্যে এটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। ভারতের আবহাওয়া বিভাগের বরাতে শনিবার এমন তথ্য জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস। পূর্বাভাসে বলা হয়, ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার পর আবহাওয়াব্যবস্থাটি পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।
আগামী ২ নভেম্বর সন্ধ্যার মধ্যে এটি অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের কাছাকাছি পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে পৌঁছাতে পারে বলেও জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া বিভাগ।এর আগে গত ২৬ অক্টোবর বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট একটি গভীর নিম্নচাপ থেকে এটি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়। এটির নাম প্রস্তাব করেছিল বাংলাদেশ।

বুধবার ভোরে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়টি। এসময় উপকূলে আছড়ে পড়ার পর ঝড়টির স্থলভাগে প্রবেশের প্রক্রিয়া শেষ হতে ছয় ঘণ্টারও বেশি সময় লাগে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে পৃথক ঘটনায় রাজ্যটিতে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের কেউ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে, আবার কেউ গাছ ভেঙে পড়ার কারণে প্রাণ হারিয়েছেন।
ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি) জানিয়েছে, অর্ণব উপকূলে আঘাত হানার সময় ‘অতি প্রবল’ ঘূর্ণিঝড়ের রূপে ছিল। এটি সংস্থাটির নির্ধারিত শক্তিমাত্রার তৃতীয় সর্বোচ্চ শ্রেণি। তবে বুধবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে ঝড়টি ‘প্রবল’ ঘূর্ণিঝড়ে দুর্বল হয়ে পড়ে।

Please Share This Post in Your Social Media

আপডেট: ০৫:২২:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
৭

বঙ্গোপসাগরে নতুন ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা

আপডেট: ০৫:২২:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের পর বঙ্গোপসাগরে আরেকটি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট একটি নিম্নচাপ আগামী ছয় ঘণ্টার মধ্যে গভীর নিম্নচাপে এবং পহেলা নভেম্বরের মধ্যে এটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। ভারতের আবহাওয়া বিভাগের বরাতে শনিবার এমন তথ্য জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস। পূর্বাভাসে বলা হয়, ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার পর আবহাওয়াব্যবস্থাটি পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।
আগামী ২ নভেম্বর সন্ধ্যার মধ্যে এটি অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের কাছাকাছি পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে পৌঁছাতে পারে বলেও জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া বিভাগ।এর আগে গত ২৬ অক্টোবর বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট একটি গভীর নিম্নচাপ থেকে এটি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়। এটির নাম প্রস্তাব করেছিল বাংলাদেশ।

বুধবার ভোরে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়টি। এসময় উপকূলে আছড়ে পড়ার পর ঝড়টির স্থলভাগে প্রবেশের প্রক্রিয়া শেষ হতে ছয় ঘণ্টারও বেশি সময় লাগে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে পৃথক ঘটনায় রাজ্যটিতে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের কেউ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে, আবার কেউ গাছ ভেঙে পড়ার কারণে প্রাণ হারিয়েছেন।
ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি) জানিয়েছে, অর্ণব উপকূলে আঘাত হানার সময় ‘অতি প্রবল’ ঘূর্ণিঝড়ের রূপে ছিল। এটি সংস্থাটির নির্ধারিত শক্তিমাত্রার তৃতীয় সর্বোচ্চ শ্রেণি। তবে বুধবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে ঝড়টি ‘প্রবল’ ঘূর্ণিঝড়ে দুর্বল হয়ে পড়ে।