• মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ০১:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বগুড়ায় ভোট গ্রহনকারী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে তিন উপজেলায় আওয়ামী লীগ নেতারা বিজয়ী বগুড়ায় নানা আয়োজনে জেলা কর্মশালা-২০২৪ অনুষ্ঠিত ধামরাইয়ে আওয়ামী লীগের পাঁচ পদধারী প্রার্থীদের হারিয়ে আব্দুল লতিফ উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত মধুপুরে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান-চাল সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস-২০২৪ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইলের মধুপুরে হজ্জ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বাঁশখালী লবন শ্রমিক কল্যান ইউনিয়ন-এর নির্বাহী কমিটি গঠিত ৪ বার পুরস্কৃার পেলেন গ্রাম পুলিশ ময়না দাস সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম শাখার সভা অনুষ্ঠিত

সাতকানিয়ার উপজেলা প্রশাসনের উন্নয়ন মেলায় শ্রেষ্ঠত্বের খেতাব প্রকৌশল বিভাগের

News Desk
আপডেটঃ : সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রাম থেকেঃ

“সেবা ও উন্নতির দক্ষ রুপকার-উন্নয়নে -উদ্ভাবনে স্হানীয় সরকার ”সরকার ঘোষিত এই প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে সাতকানিয়া উপজেলা প্রশাসন সারা দেশের মত সাতকানিয়ায়ও স্থানীয় সরকার দিবস উপলক্ষে ” জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস পালন” ও উন্নয়ন মেলা -২০২৩ আয়োজন করেছে।

১৮ সেপ্টেম্বর’২৩ ইং মঙ্গলবার সমাপনী দিনে অনুষ্ঠানের প্রধান অথিতি উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মিল্টন বিশ্বাষ উপজেলার বিভিন্ন দফতরের যোগ্যতম কর্মকর্তাদের নিয়ে মেলায় অংশগ্রহনকারী বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন ও পারফর্মেন্স বিবেচনায় স্টল যাচাই-বাছাই করেন। জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস উপলক্ষে আয়োজিত উন্নয়ন মেলা -২০২৩ -এ প্রথম স্থান অধিকার করেন উপজেলা প্রকৌশলী অফিস।

উপজেলা প্রকৌশল বিভাগ মুলত উপজেলার উন্নয়ন সহায়ক তহবিল এবং রাজস্ব অর্থায়নে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি জনপদের অবকাটামোগত উন্নয়নে বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজের দরপত্র আহবান, মূল্যায়ন ও কার্য্যাদেশ প্রদান করে থাকেন। যেমনঃ গ্রামীন রাস্তাঘাঁট, ব্রীজ কালভার্ট, হাটবাজার বাসত্মবায়ন ও পানি সম্পদ সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন বাসাবাড়ী ও অবকাঠামো মেরামতকরন ইত্যাদী। স্থানীয় অন্যান্য সংস্থার উন্নয়ন কর্মকান্ডে কারিগরী সহায়তা প্রদানও উপজেলা প্রকৌশ বিভাগ করে থাকে।

সাতকানিয়া উপজেলা প্রকৌশলী পারভেজ সরোয়ার হোসেন উপজেলা উন্নয়ন মেলায় নিজেদের দফতরের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের জন্য সহকারী প্রকৌশলী, উপ-সহকারী প্রকৌশলী, অধঃসত্মন কারিগরী কর্মচারী, নক্সাকার, হিসাব রক্ষক, সার্ভেয়ার, কমিউনিটি অর্গানাইজার সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, সবাই সবার উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাসময়ে দায়িত্বশীলতার সাথে সুচারুরুপে পালন করেছে বলেই আজ উপজেলা প্রকৌশল বিভাগ এ শ্রেষ্ঠত্বের খেতাব অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। সুতরাং এ কৃতিত্ব সবার।

উপজেলা প্রকৌশলী পারভেজ সরোয়ার হোসেন আরো বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এলজিইডি গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে কার্যক্রম বাস্তবায়ন করলেও পরবর্তীতে এর কাজের পরিধি ব্যাপক বিস্তৃতি লাভ করে। এলজিইডি স্থানীয় পর্যায়ে অবকাঠামোগত সুবিধা সৃষ্টির মাধ্যমে দেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে তিনটি সেক্টরে কাজ করে থাকে; এগুলো হচ্ছে-পল্লি উন্নয়ন, ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন ও নগর উন্নয়ন। একইসঙ্গে, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহকে কারিগরি সহায়তা প্রদান করা হয়। এলজিইডির সার্বিক কর্মকাণ্ড দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য বিমোচনে উল্লেখ্যযোগ্য ভূমিকা রাখছে।

পল্লি অবকাঠামো উন্নয়নে এলজিইডি আজ জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিশ্বমানের প্রকৌশল সংস্থা। বিশ্বব্যাংকের ২০১৬ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে বাংলাদেশের পল্লির প্রত্যন্ত অঞ্চলের বেশিরভাগ জনগণ নিজ গ্রাম থেকে সর্বোচ্চ দুই কিলোমিটারের মধ্যে পাকা সড়ক ব্যবহারের সুবিধা পায়, যে সড়ক দিয়ে সহজেই মহাসড়কে উঠতে পারে। বিশ্বব্যাংকের সমীক্ষায় এ অর্জনকে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য এক দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

গ্রামীণ অর্থনীতি ও ব্যবসা বাণিজ্যকে গতিশীল করতে উন্নয়ন করা হচ্ছে গ্রোথ সেন্টার ও গ্রামীণ হাট-বাজার। কৃষক সহজেই উৎপাদিত পণ্য বাজারে নিতে পারছে এবং ফসলের ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন। এতে করে জনগণের আয় বাড়ছে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে, যা দারিদ্র্য বিমোচনে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।
এলজিইডি দেশব্যাপী উপজেলা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ সম্প্রসারণ এবং ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণের কাজও বাস্তবায়ন করছে। এতে করে স্থানীয় জনগণ একই ছাদের নিচে সহজেই সকল সেবা গ্রহণ করতে পারছেন। এলজিইডি নির্মিত পল্লি অবকাঠামো বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে সামিল হওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখছে।

সম্প্রতি উপজেলা পর্যায়ে ল্যাব প্রতিষ্ঠা হওয়ায় তাঁর সন্তোষ্ঠি জানিয়ে বলেন, “আপনারা জানেন আগে আমাদের ল্যাব ছিল না এখন উপজেলাতে ল্যাব হওয়ার কারণে কোন পরীক্ষা বা রিপোর্টিং এর জন্য জেলা শহরে যেতে হচ্ছে না। এটাও কিন্তু বাংলাদেশ সরকারের স্মার্ট বাংলাদেশ রুপ গল্পের অন্য অন্যতম একটি ভূমিকা বলে মনে করেন তিনি।

বাংলাদেশের প্রাকৃত্রিক দুর্যোগের কথা স্মরন করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের রয়েছে এক বিস্তৃত উপকূলীয় এলাকা। এসব এলাকার জনজীবন সামুদ্রিক ঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের দ্বারা প্রভাবিত। প্রাকৃতিক দুর্যোগের হাত থেকে উপকূলীয় এলাকার মানুষের জান-মাল সুরক্ষার জন্য এলজিইডি উপকূলীয় এলাকায় বহুমুখী দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করে থাকে। এসব সাইক্লোন শেল্টার এলাকার শিক্ষা প্রসারে প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

সাধারণ মানুষ যাতে দুর্যোগকালীন সহজেই আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে পারে সেজন্য সংযোগ সড়কও নির্মাণ করা হয়ে থাকে। গবাদি পশুর মত সম্পদও দুযোর্গকালীন এসব আশ্রয়কেন্দ্রে রাখার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

উপজেলা প্রকৌশলী পারভেজ সরোয়ার উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মিল্টন বিশ্বাষ সহ সকল বিচারকদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ