• মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১২:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বগুড়ায় ভোট গ্রহনকারী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে তিন উপজেলায় আওয়ামী লীগ নেতারা বিজয়ী বগুড়ায় নানা আয়োজনে জেলা কর্মশালা-২০২৪ অনুষ্ঠিত ধামরাইয়ে আওয়ামী লীগের পাঁচ পদধারী প্রার্থীদের হারিয়ে আব্দুল লতিফ উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত মধুপুরে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান-চাল সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস-২০২৪ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইলের মধুপুরে হজ্জ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বাঁশখালী লবন শ্রমিক কল্যান ইউনিয়ন-এর নির্বাহী কমিটি গঠিত ৪ বার পুরস্কৃার পেলেন গ্রাম পুলিশ ময়না দাস সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম শাখার সভা অনুষ্ঠিত

পার্বত্য লামায় আন্তঃজেলা সীমানা বিরোধ সৃষ্টির মাধ্যমে ৮২ একর ভূমি থেকে লামার মানুষকে অধিকার হারা করে রেখেছে (পর্ব-২)

News Desk
আপডেটঃ : বুধবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৩

জাহিদ হাসান, বান্দরবান থেকেঃ

বান্দরবান(লামা,গজালিয়া)কক্সবাজার(চকরিয়া, বমুবিলছড়ি) আন্ত:জেলা সীমানার অমীমাংসিত বিরোধকে পুঁজি করে কতিপয় মেম্বারের বাণিজ্য। আজকের পর্বে রয়েছে, বিগত দিনে এতদ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের নানান প্রচেষ্টা সিদ্ধান্ত সমুহের তথ্যাবলি। বান্দরবান-কক্সবাজার এবং বান্দরবান-চট্টগ্রাম আন্তঃজেলা সীমানা নির্ধারণ সংক্রান্ত বিগত ২৯/০৮/১৯৯৬ তারিখে কক্সবাজার সার্কিট হাউজে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

মহাপরিচালক ভূমি রেকর্ড ও জরিপ এর সভাপতিত্বে
ওই সভার কার্যবিবরণী থেকে কিছু জানাযায়। ওই সভায় তৎকালীন জেলা প্রশাসক বান্দরবান বলেন, ‘সরেজমিনে পিলার না থাকার জন্য সীমানা বিরোধের সৃষ্টি হইতেছে। আন্তঃ জেলা সীমানা পিলার স্থাপন করিলে বিরোধের নিষ্পত্তি হইবে বলিয়া তিনি জানান।

অতিঃ জেলা প্রশাসক (রাঃ) বান্দরবান বলেন, ‘বমু মৌজা ব্যতীত অন্য কোন মৌজার সি, এস, জরিপের ম্যাপের সহিত ১৯২৪-২৫ বা ১৯৭০-৮১ সালের আর, এস জরিপের ম্যাপের জরিপের সীমানার সংগে কোন গড়মিল নাই। বমু মৌজার বিষয়ে ১৮৯২-৯৩ সালের সি, এস, জরিপের ম্যাপের উপর পার্বত্য চট্টগ্রাম তথা গজালিয়া মৌজার জনসাধারণের আপত্তি ছিল।

আপত্তির ফলে সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট অব সার্ভে সরেজমিনে তদন্ত পূর্বক একখানা প্রতিবেদন দেন এবং ম্যাপ সংশোধনের নির্দেশ দিলে ম্যাপ সংশোধন করা হয়। কিন্তু ১৯২৪-২৫ সালের আর, এস জরিপ উক্ত সংশোধিত ম্যাপ অনুসরণ করা হয় নাই বলিয়া বিরোধের সৃষ্টি হয়।

১৯৭০-৮১ সালের আর, এস জরিপেও ১৯২৪-২৫ সালের ম্যাপের সীমানা বহাল রাখা হইয়াছে। অর্থাৎ ১৯২৪-২৫ এবং ১৯৭০-৮১ সালের জরিপের সীমানার মধ্যে কোন তফাৎ নাই’।

এর তিন বছর পর এতদ বিষয়ে বিগত ১৭/০২/১৯৯৩ ইং তারিখে আরো একবার চকরিয়া থানা নির্বাহী কর্মকর্তার সমন্বয়ে গঠিত যৌথ তদন্ত কমিটি সরেজমিনে বিরোধীয় জমি পরিদর্শন করেন। সে পরিদর্শন রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়, ‘সরেজমিনে পরিদর্শন ও রেকর্ড পত্র পর্যালোচনায় দেখা যায় যে বিরোধীয় জমি সি, এস, জরিপ ও সি, এস জরিপের উপর আনিত সংশোধনী ১৯৪২ সনের মামলা নং- ৮৬/৯০-১৯০০ মোতাবেক বিরোধীয় জমি বান্দরবান পার্বত্য জেলার অনুভূক্ত হয় এবং প্রজারা বন্দোবস্তি নিয়া ভোগদখল করিয়া আসিতেছেন এবং এখনও ভোগদখলে বিদ্যমান।

এখানে উল্লেখ্য যে, ১৮৯২ ইং সনের সি. এস জরিপের বমু মৌজার সি, এস ম্যাপ তখনকার এসিসটেন্ট সুপারিনটেনডেন্ট অব সার্ভে চিটাগাং হিলট্রেক্স ও ডেপুটি কালেকটার অব ইনচার্জ খাষ মহল কক্সবাজার যৌথ ভাবে উক্ত বিরোধীয় জমি তদন্ত পূর্বক বমু মৌজার বমু খালের পাড়কে ন্যাচারেল বাউন্ডারী ধরিয়া উক্ত বমু মৌজার সি, এস ম্যাপে আত্মজেলা সীমানা সংশোধন পূর্বক সীমানা চিহ্নিত করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ