১০:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

খাদ্য অধিকার আইন প্রণয়নে সংসদে উত্থাপনের প্রতিশ্রুতি দিলেন এমপি আবু সুফিয়ান

নিজস্ব প্রতিবেদক

সাধারন জনগনের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে খাদ্য অধিকার আইন প্রণয়নে জাতীয় সংসদে কথা বলা এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকার যেন প্রয়োজনীয় উদ্যোগে নেন সে বিষয়ে সংস্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট বিষয়গুলো উত্থাপনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন চট্টগ্রাম-০৯ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান। বৃহস্পতিবার বিশ্ব খাদ্য দিবস ২০২৬উপলক্ষে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের এস রহমান হলে ক্ষুদার সঙ্গে আপোষ নয়ঃ খাদ্য মূল্যস্ফীতি বিষয়ক গণশুনানিতে শহরের প্রান্তিক আয়ের মানুষের খাদ্যসংকট, খাদ্যমূল্য বৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির প্রভাব নিয়ে আলোচনায় তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, সরকার সাধারন মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে ফ্যামিলি কার্ডসহ সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী বৃদ্ধির পরিকল্পনা করছে। এছাড়াও প্রান্তিক ও সীমিত আয়ের মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে। যার সুফল অচিরেই জনগন পাবেন।

১৫ অক্টোবর ২০২৬ইং বিশ্ব খাদ্য দিবস উদাযপন কর্মসুচির অংশহিসাবে খাদ্য নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক-খানি বাংলাদেশ, আইএসডিই বাংলাদেশ এবং পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাকশন নেটওয়ার্ক-প্রানের সহযোগিতায় ‘শহরের সীমিত আয়ের জনগোষ্ঠীর খাদ্যমূল্য বৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতি নিয়ে জাতীয় সংসদ সদস্যের সঙ্গে গণশুনানি ও আলোচনা সভা’ শীর্ষক এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এবং সভাপতিত্ব করেন ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও আইএসডিই বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক এস এম নাজের হোসাইন। যুব ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি আবু হানিফ নোমানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট কলামিস্ট মুসা খান, ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগরের যুগ্ন সম্পাদক মোঃ সেলিম জাহাঙ্গীর, রাজনীতিবিদ ও সমাজকর্মী মিটুল দাস গুপ্ত, নারী নেত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস, সবুজের যাত্রার নির্বাহী পরিচালক সায়েরা বেগম, ক্যাব চান্দগাও থানা সভাপতি মোঃ জানে আলম, পাচলাইশ থানা সভাপতি এবিএম হুমায়ুন কবির প্রমুখ। গণশুনানীতে সাক্ষ্য প্রদান করেন গার্মেন্টস কর্মী, মেহেদী হাসান ইমন, গার্মেন্টস কর্মী, আকলিমা আক্তার, রিক্সাচালক, শংকর দত্ত, রিক্সাচালক, মোঃ হানিফ, রিক্সাচালক, রাসেল উদ্দিন, মোঃ হানিফ রিক্সাচালক, সাইফুল ইসলাম, হকার, ফুডি রাইডার ইয়াছিন আলম, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মোহাম্মদ পারভেজ, ছাত্র আম্মার জাইফুল্লাহ, আইএসডিই বাংলাদেশ‘র প্রকল্প কর্মকর্তা, রাইসুল ইসলাম। গণশুনানিতে শ্রমজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী, তরুণ, সাংবাদিক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

গণশুনানিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সীমিত আয়ের মানুষ খাদ্যপণ্যের ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধির কারণে তাঁদের দৈনন্দিন জীবনে তৈরি হওয়া সংকট তুলে ধরেন। তাঁরা জানান, নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের দাম বাড়লেও তাদের আয় সে অনুপাতে বাড়েনি। ফলে পরিবারের খাদ্য ব্যয় মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। বিশেষ করে শিশু, নারী ও প্রবীণদের জন্য পর্যাপ্ত ও পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ছে। খাদ্যমূল্য বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ, ক্রয়ক্ষমতা বাড়ানো এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতা সম্প্রসারণের দাবি জানান তাঁরা।

বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন উদ্ধৃত করে অনুষ্ঠানে জানানো হয়, গত চার বছরে বাংলাদেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা প্রায় ৮০ লাখ বেড়েছে। এর মধ্যে গত এক বছরেই প্রায় ২১ লাখ মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমেছেন। আরও প্রায় ৬ কোটি ২০ লাখ নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষ দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে রয়েছেন। খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির সবচেয়ে বড় চাপ পড়ছে দরিদ্র ও সীমিত আয়ের মানুষের ওপর।

বক্তারা বলেন, খাদ্য মানুষের মৌলিক অধিকার। বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫(ক) অনুচ্ছেদে খাদ্যসহ জীবনধারণের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থা রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু সবার জন্য পর্যাপ্ত, নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত খাদ্য অধিকার আইন প্রয়োজন। খাদ্য নিরাপত্তাকে শুধু উৎপাদন বা সাময়িক সহায়তার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মানুষের আয়, কর্মসংস্থান, ন্যায্য মজুরি, সামাজিক সুরক্ষা ও বাজার ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান খাদ্য অধিকার আইন প্রণয়নের বিষয়ে জাতীয় সংসদে কথা বলা এবং প্রয়োজনীয় উদ্যোগে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি সীমিত আয়ের মানুষের খাদ্যসংকট নিরসন, খাদ্যের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ানো এবং নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন। গণশুনানিতে উঠে আসা সমস্যা ও প্রস্তাবগুলো সরকারের সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের নিকট তুলে ধরার আশ্বাসও দেন তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে আইএসডিই বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক এস এম নাজের হোসাইন বলেন, খাদ্যের পর্যাপ্ত উৎপাদন থাকলেই মানুষের খাদ্য অধিকার নিশ্চিত হয় না। সেই খাদ্য কেনার সামর্থ্য এবং নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যের প্রাপ্যতাও নিশ্চিত করতে হবে। খাদ্যকে দাতব্য সহায়তার বিষয় হিসেবে না দেখে রাষ্ট্রের দায়িত্ব ও নাগরিকের অধিকার হিসেবে বিবেচনা করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

উল্লেখ্য এ বছরের বিশ্ব খাদ্য দিবসের প্রতিপাদ্য ‘আজকের উদ্ভাবন, আগামীর সমৃদ্ধি’। বক্তারা বলেন, খাদ্যব্যবস্থায় উদ্ভাবন শুধু প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। জনগণের অভিজ্ঞতাকে নীতিনির্ধারণে যুক্ত করা এবং জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহি নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ। গণশুনানিতে উঠে আসা মতামত, সুপারিশ ও সংসদ সদস্যের প্রতিশ্রুতি খাদ্য অধিকার আইন প্রণয়নের দাবিতে খানি বাংলাদেশের পরবর্তী নীতিগত ও জনসম্পৃক্ততামূলক কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

আপডেট: ০৩:২৪:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
২

খাদ্য অধিকার আইন প্রণয়নে সংসদে উত্থাপনের প্রতিশ্রুতি দিলেন এমপি আবু সুফিয়ান

আপডেট: ০৩:২৪:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

সাধারন জনগনের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে খাদ্য অধিকার আইন প্রণয়নে জাতীয় সংসদে কথা বলা এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকার যেন প্রয়োজনীয় উদ্যোগে নেন সে বিষয়ে সংস্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট বিষয়গুলো উত্থাপনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন চট্টগ্রাম-০৯ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান। বৃহস্পতিবার বিশ্ব খাদ্য দিবস ২০২৬উপলক্ষে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের এস রহমান হলে ক্ষুদার সঙ্গে আপোষ নয়ঃ খাদ্য মূল্যস্ফীতি বিষয়ক গণশুনানিতে শহরের প্রান্তিক আয়ের মানুষের খাদ্যসংকট, খাদ্যমূল্য বৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির প্রভাব নিয়ে আলোচনায় তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, সরকার সাধারন মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে ফ্যামিলি কার্ডসহ সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী বৃদ্ধির পরিকল্পনা করছে। এছাড়াও প্রান্তিক ও সীমিত আয়ের মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে। যার সুফল অচিরেই জনগন পাবেন।

১৫ অক্টোবর ২০২৬ইং বিশ্ব খাদ্য দিবস উদাযপন কর্মসুচির অংশহিসাবে খাদ্য নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক-খানি বাংলাদেশ, আইএসডিই বাংলাদেশ এবং পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাকশন নেটওয়ার্ক-প্রানের সহযোগিতায় ‘শহরের সীমিত আয়ের জনগোষ্ঠীর খাদ্যমূল্য বৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতি নিয়ে জাতীয় সংসদ সদস্যের সঙ্গে গণশুনানি ও আলোচনা সভা’ শীর্ষক এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এবং সভাপতিত্ব করেন ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও আইএসডিই বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক এস এম নাজের হোসাইন। যুব ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি আবু হানিফ নোমানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট কলামিস্ট মুসা খান, ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগরের যুগ্ন সম্পাদক মোঃ সেলিম জাহাঙ্গীর, রাজনীতিবিদ ও সমাজকর্মী মিটুল দাস গুপ্ত, নারী নেত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস, সবুজের যাত্রার নির্বাহী পরিচালক সায়েরা বেগম, ক্যাব চান্দগাও থানা সভাপতি মোঃ জানে আলম, পাচলাইশ থানা সভাপতি এবিএম হুমায়ুন কবির প্রমুখ। গণশুনানীতে সাক্ষ্য প্রদান করেন গার্মেন্টস কর্মী, মেহেদী হাসান ইমন, গার্মেন্টস কর্মী, আকলিমা আক্তার, রিক্সাচালক, শংকর দত্ত, রিক্সাচালক, মোঃ হানিফ, রিক্সাচালক, রাসেল উদ্দিন, মোঃ হানিফ রিক্সাচালক, সাইফুল ইসলাম, হকার, ফুডি রাইডার ইয়াছিন আলম, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মোহাম্মদ পারভেজ, ছাত্র আম্মার জাইফুল্লাহ, আইএসডিই বাংলাদেশ‘র প্রকল্প কর্মকর্তা, রাইসুল ইসলাম। গণশুনানিতে শ্রমজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী, তরুণ, সাংবাদিক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

গণশুনানিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সীমিত আয়ের মানুষ খাদ্যপণ্যের ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধির কারণে তাঁদের দৈনন্দিন জীবনে তৈরি হওয়া সংকট তুলে ধরেন। তাঁরা জানান, নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের দাম বাড়লেও তাদের আয় সে অনুপাতে বাড়েনি। ফলে পরিবারের খাদ্য ব্যয় মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। বিশেষ করে শিশু, নারী ও প্রবীণদের জন্য পর্যাপ্ত ও পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ছে। খাদ্যমূল্য বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ, ক্রয়ক্ষমতা বাড়ানো এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতা সম্প্রসারণের দাবি জানান তাঁরা।

বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন উদ্ধৃত করে অনুষ্ঠানে জানানো হয়, গত চার বছরে বাংলাদেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা প্রায় ৮০ লাখ বেড়েছে। এর মধ্যে গত এক বছরেই প্রায় ২১ লাখ মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমেছেন। আরও প্রায় ৬ কোটি ২০ লাখ নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষ দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে রয়েছেন। খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির সবচেয়ে বড় চাপ পড়ছে দরিদ্র ও সীমিত আয়ের মানুষের ওপর।

বক্তারা বলেন, খাদ্য মানুষের মৌলিক অধিকার। বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫(ক) অনুচ্ছেদে খাদ্যসহ জীবনধারণের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থা রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু সবার জন্য পর্যাপ্ত, নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত খাদ্য অধিকার আইন প্রয়োজন। খাদ্য নিরাপত্তাকে শুধু উৎপাদন বা সাময়িক সহায়তার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মানুষের আয়, কর্মসংস্থান, ন্যায্য মজুরি, সামাজিক সুরক্ষা ও বাজার ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান খাদ্য অধিকার আইন প্রণয়নের বিষয়ে জাতীয় সংসদে কথা বলা এবং প্রয়োজনীয় উদ্যোগে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি সীমিত আয়ের মানুষের খাদ্যসংকট নিরসন, খাদ্যের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ানো এবং নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন। গণশুনানিতে উঠে আসা সমস্যা ও প্রস্তাবগুলো সরকারের সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের নিকট তুলে ধরার আশ্বাসও দেন তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে আইএসডিই বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক এস এম নাজের হোসাইন বলেন, খাদ্যের পর্যাপ্ত উৎপাদন থাকলেই মানুষের খাদ্য অধিকার নিশ্চিত হয় না। সেই খাদ্য কেনার সামর্থ্য এবং নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যের প্রাপ্যতাও নিশ্চিত করতে হবে। খাদ্যকে দাতব্য সহায়তার বিষয় হিসেবে না দেখে রাষ্ট্রের দায়িত্ব ও নাগরিকের অধিকার হিসেবে বিবেচনা করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

উল্লেখ্য এ বছরের বিশ্ব খাদ্য দিবসের প্রতিপাদ্য ‘আজকের উদ্ভাবন, আগামীর সমৃদ্ধি’। বক্তারা বলেন, খাদ্যব্যবস্থায় উদ্ভাবন শুধু প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। জনগণের অভিজ্ঞতাকে নীতিনির্ধারণে যুক্ত করা এবং জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহি নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ। গণশুনানিতে উঠে আসা মতামত, সুপারিশ ও সংসদ সদস্যের প্রতিশ্রুতি খাদ্য অধিকার আইন প্রণয়নের দাবিতে খানি বাংলাদেশের পরবর্তী নীতিগত ও জনসম্পৃক্ততামূলক কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।