১১:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬

জ্বালানি তেল রপ্তানি বন্ধ করলো চীন, বড় ধরনের সংকটের আশঙ্কা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের ধাক্কা আসতে চলেছে। চীন তাদের দেশ থেকে পরিশোধিত জ্বালানি তেল বা রিফাইন্ড ফুয়েল রপ্তানি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছে।  দেশের ভেতর মজুত বাড়িয়ে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই বেইজিং এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশসহ গোটা এশিয়ায় জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

চীনের বড় বড় তেল শোধনাগার বা রিফাইনারিগুলো অক্টোবর মাসের জন্য পেট্রোল, ডিজেল ও জেট ফুয়েলের সব চালান বাতিল বা স্থগিত করেছে। এই সিদ্ধান্তের সরাসরি প্রভাব পড়বে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, ভিয়েতনাম এবং ফিলিপাইনের মতো দেশগুলোতে, যারা জ্বালানির জন্য বড় অংশে চীনের ওপর ভরসা করে থাকে।

এর আগেও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও নানা সংকটের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম ওঠানামা করছিল। গত জুলাইয়ে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও চীনের ভেতরের বাজারে জ্বালানি কমে যাওয়ায় বেইজিং আবার এই কড়াকড়ি আরোপ করল।

বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশের ভেতরের মজুত পুরোপুরি নিরাপদ না হওয়া পর্যন্ত চীন এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে না।

চীনের এই আকস্মিক পদক্ষেপে এশিয়ার বাজারে ডিজেলসহ অন্যান্য জ্বালানির দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। এমনিতেই বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে টানাপোড়েন চলছে, তার ওপর চীনের এই সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় বাড়তি চাপ সৃষ্টি করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। সূত্র: রয়টার্স

Please Share This Post in Your Social Media

আপডেট: ০৮:০৭:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
২

জ্বালানি তেল রপ্তানি বন্ধ করলো চীন, বড় ধরনের সংকটের আশঙ্কা

আপডেট: ০৮:০৭:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের ধাক্কা আসতে চলেছে। চীন তাদের দেশ থেকে পরিশোধিত জ্বালানি তেল বা রিফাইন্ড ফুয়েল রপ্তানি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছে।  দেশের ভেতর মজুত বাড়িয়ে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই বেইজিং এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশসহ গোটা এশিয়ায় জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

চীনের বড় বড় তেল শোধনাগার বা রিফাইনারিগুলো অক্টোবর মাসের জন্য পেট্রোল, ডিজেল ও জেট ফুয়েলের সব চালান বাতিল বা স্থগিত করেছে। এই সিদ্ধান্তের সরাসরি প্রভাব পড়বে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, ভিয়েতনাম এবং ফিলিপাইনের মতো দেশগুলোতে, যারা জ্বালানির জন্য বড় অংশে চীনের ওপর ভরসা করে থাকে।

এর আগেও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও নানা সংকটের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম ওঠানামা করছিল। গত জুলাইয়ে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও চীনের ভেতরের বাজারে জ্বালানি কমে যাওয়ায় বেইজিং আবার এই কড়াকড়ি আরোপ করল।

বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশের ভেতরের মজুত পুরোপুরি নিরাপদ না হওয়া পর্যন্ত চীন এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে না।

চীনের এই আকস্মিক পদক্ষেপে এশিয়ার বাজারে ডিজেলসহ অন্যান্য জ্বালানির দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। এমনিতেই বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে টানাপোড়েন চলছে, তার ওপর চীনের এই সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় বাড়তি চাপ সৃষ্টি করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। সূত্র: রয়টার্স