১১:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আমি বাড়ি থেকেই বের হতে পারছি না: মমতা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের রাজনৈতিক প্রভাব এতটাই তীব্র হয়েছে যে তিনি এখন আর বাড়ি থেকে বের হতে পারছেন না বলে দাবি করেছেন রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) নয়াদিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন। ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ খবর জানিয়েছে।

নির্বাচনে বড় জয়ের পর বিজেপি ‘নৈরাজ্য’ ও ‘স্বৈরাচারী শাসন’ চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন মমতা। তিনি বলেন, রাজনৈতিক উত্তেজনার পরিবেশ অব্যাহত রয়েছে এবং তৃণমূল নেতাদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে। দলীয় সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকে মমতা বলেন, ‘আমি এখন আমার বাড়ি থেকেই বের হতে পারছি না’” তৃণমূল নেতাদের লক্ষ্য করে চালানো ধারাবাহিক হামলার চিত্রও তিনি তুলে ধরেন।

এর আগে পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে পৌঁছেছে, যেখানে বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতা বিক্ষোভ ও ডিম নিক্ষেপের শিকার হয়েছেন। তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এসব ঘটনা বিজেপি সাজিয়েছে। তবে বিজেপি এই হামলাগুলোকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভের প্রকাশ বলে অভিহিত করেছে। সাম্প্রতিক ঘটনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল গত সপ্তাহে হুগলিতে তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষের গাড়িতে বিক্ষুব্ধ জনতা কর্তৃক হামলা, যেখানে তার গাড়িতে ডিম ও ইটপাটকেল ছোড়া হয়।

নয়াদিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ ঝাড়েন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটার তালিকা থেকে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ এনে তিনি সিইসিকে ‘ভ্যানিশ কুমার’ বলে কটাক্ষ করেন। দলীয় সূত্র অনুযায়ী, তিনি পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর  কার্যক্রমকে একটি ‘গণ্ডগোল পাকানো কার্যক্রম’ বলে অভিহিত করেন এবং সিইসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

এসআইআর প্রক্রিয়া এবং নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম নিয়ে যৌথ কৌশল ঠিক করতে ইন্ডিয়া জোটের ব্যানারে দিল্লির বৈঠকে সমবেত হন বিশটির বেশি বিরোধী দলের নেতারা। এসআইআর প্রক্রিয়া সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ভেতরে মতপার্থক্যের খবরের মধ্যে বিরোধী জোট প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণের দাবি জানিয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, কমিশনারদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ প্রশ্ন ও মতপার্থক্য প্রাতিষ্ঠানিক আলোচনারই অংশ এবং নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

আপডেট: ০৩:৩৫:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৮

আমি বাড়ি থেকেই বের হতে পারছি না: মমতা

আপডেট: ০৩:৩৫:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের রাজনৈতিক প্রভাব এতটাই তীব্র হয়েছে যে তিনি এখন আর বাড়ি থেকে বের হতে পারছেন না বলে দাবি করেছেন রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) নয়াদিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন। ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ খবর জানিয়েছে।

নির্বাচনে বড় জয়ের পর বিজেপি ‘নৈরাজ্য’ ও ‘স্বৈরাচারী শাসন’ চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন মমতা। তিনি বলেন, রাজনৈতিক উত্তেজনার পরিবেশ অব্যাহত রয়েছে এবং তৃণমূল নেতাদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে। দলীয় সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকে মমতা বলেন, ‘আমি এখন আমার বাড়ি থেকেই বের হতে পারছি না’” তৃণমূল নেতাদের লক্ষ্য করে চালানো ধারাবাহিক হামলার চিত্রও তিনি তুলে ধরেন।

এর আগে পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে পৌঁছেছে, যেখানে বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতা বিক্ষোভ ও ডিম নিক্ষেপের শিকার হয়েছেন। তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এসব ঘটনা বিজেপি সাজিয়েছে। তবে বিজেপি এই হামলাগুলোকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভের প্রকাশ বলে অভিহিত করেছে। সাম্প্রতিক ঘটনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল গত সপ্তাহে হুগলিতে তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষের গাড়িতে বিক্ষুব্ধ জনতা কর্তৃক হামলা, যেখানে তার গাড়িতে ডিম ও ইটপাটকেল ছোড়া হয়।

নয়াদিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ ঝাড়েন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটার তালিকা থেকে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ এনে তিনি সিইসিকে ‘ভ্যানিশ কুমার’ বলে কটাক্ষ করেন। দলীয় সূত্র অনুযায়ী, তিনি পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর  কার্যক্রমকে একটি ‘গণ্ডগোল পাকানো কার্যক্রম’ বলে অভিহিত করেন এবং সিইসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

এসআইআর প্রক্রিয়া এবং নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম নিয়ে যৌথ কৌশল ঠিক করতে ইন্ডিয়া জোটের ব্যানারে দিল্লির বৈঠকে সমবেত হন বিশটির বেশি বিরোধী দলের নেতারা। এসআইআর প্রক্রিয়া সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ভেতরে মতপার্থক্যের খবরের মধ্যে বিরোধী জোট প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণের দাবি জানিয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, কমিশনারদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ প্রশ্ন ও মতপার্থক্য প্রাতিষ্ঠানিক আলোচনারই অংশ এবং নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।