চলতি অর্থবছরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করা কঠিন হবে: ইসি
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মধ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন সব নির্বাচন আয়োজন করা কঠিন হতে পারে বলে জানিয়েছেন জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। তিনি জানান, বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ব্যস্ত রয়েছে। এ নির্বাচন নিয়ে কাজ এগিয়ে নেয়ার পর অন্যান্য স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
চলতি অর্থবছরের মধ্যে স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘মনে হয় না যে সব করতে পারব। এটি আমার ব্যক্তিগত মতামত।’
তিনি বলেন, আবহাওয়া ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে কাজ করতে হচ্ছে। বিভিন্ন কারণে নির্বাচনের প্রস্তুতি ও সময়সূচিতে পরিবর্তন আনতে হতে পারে।
ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ হবে কি না, জানতে চাইলে ইসি মাছউদ বলেন, তফসিল ঘোষণার আগে সংলাপের বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা হবে। তবে এ বিষয়ে এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো সম্ভব নয়।
নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সময় সম্পর্কেও এখনই বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। মাছউদ বলেন, তফসিল ঘোষণার আগে এ বিষয়ে কাজ করা হবে। কমিশন এখনো তফসিল ঘোষণা করেনি, তাই এ বিষয়ে বিস্তারিত বলার সময় আসেনি।
নির্বাচনী আইন পরিবর্তন না করেও সেনাবাহিনী মোতায়েনের এখতিয়ার নির্বাচন কমিশনের রয়েছে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘আছে, সেটাও আছে। আইন পরিবর্তন না করলেও আছে।’
ইউপি নির্বাচনের প্রথম ধাপে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রথম ধাপের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী ধাপে সেনাবাহিনী মোতায়েনের বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে।
ইউপি নির্বাচনসহ স্থানীয় সরকারের আওতাধীন সব নির্বাচন আয়োজনের জন্য কমিশনের প্রতি স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ও গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে বলে সাংবাদিকেরা উল্লেখ করেন। এ বিষয়ে কমিশনের পরিকল্পনা জানতে চাইলে মাছউদ বলেন, বর্তমানে ইউপি নির্বাচন নিয়ে কাজ করছে কমিশন। এ নির্বাচনের ব্যস্ততার কারণে অন্য নির্বাচনগুলো নিয়ে এখনই বিস্তারিত পরিকল্পনা করা সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের প্রস্তুতি ও সময়সূচি নির্ধারণের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতাও প্রয়োজন হবে। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।






















