১০:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬

স্বপ্ন থেকে বাস্তবের পথে বাংলাদেশ

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

বাংলাদেশের ইতিহাসের বৃহত্তম ও প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুরে পদ্মা নদীর তীরে অবস্থিত ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট উৎপাদনক্ষমতার এই মেগা প্রকল্পটি এখন বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর চূড়ান্ত প্রস্তুতির পর্যায়ে রয়েছে।

ইতিমধ্যে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা) বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিটে পারমাণবিক বিক্রিয়া বা ‘ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটি’ শুরুর চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। এর ফলে আগামী ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ পরীক্ষামূলকভাবে এই কেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হতে পারে। রূপপুর থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হলে দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি ধীরে ধীরে কমে আসবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, রূপপুর প্রকল্পের মূল মেয়াদ ছিল ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। দুই দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে তা ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়েছে। ঠিকাদারের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, মেয়াদ বাড়ানোর কারণে প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধির সুযোগ না থাকলেও ডলারের বিনিময় হার বেড়ে যাওয়ায় প্রকল্প ব্যয় প্রায় ২৬ হাজার কোটি টাকা বেড়েছে। বর্তমানে প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৬ কোটি টাকা। কেন্দ্রটির প্রাথমিক আয়ুষ্কাল ৬০ বছর। পরবর্তী সময়ে তা আরও ২০ থেকে ৩০ বছর বাড়ানো সম্ভব।

গত ৮ অক্টোবর প্রথম ইউনিটে পারমাণবিক চেইন রিঅ্যাকশন বা নিয়ন্ত্রিত পরমাণু বিভাজন প্রক্রিয়া শুরুর প্রশাসনিক অনুমোদন দেওয়া হয়। জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরুর পর বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাওয়ার আগে সাত থেকে আট মাস পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন চালানো হতে পারে।

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এম মাহমুদুল হাসান বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ড. এম মইনুল হোসেন এবং নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এনপিসিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জায়েদুল হাসানের কাছে ফিজিক্যাল স্টার্ট-আপের জন্য প্রয়োজনীয় লাইসেন্স হস্তান্তর করেন। এনপিসিবিএলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করে কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান জানান, পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরুর অনুমতি মিললেও জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সঞ্চালনের আগে আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপের অনুমোদন প্রয়োজন হবে।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, এই অনুমোদনের ফলে রূপপুরের প্রথম ইউনিটে রিঅ্যাক্টরের ফিজিক্যাল স্টার্ট-আপ প্রক্রিয়া শুরুর ক্ষেত্রে বড় কোনো বাধা নেই। এ পর্যায়ে রিঅ্যাক্টরে প্রথমবারের মতো নিয়ন্ত্রিত ও স্বয়ংসম্পূর্ণ পারমাণবিক চেইন রিঅ্যাকশন শুরু করা হবে।

এনপিসিবিএলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন সাপেক্ষে আগামী ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হতে পারে। প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, রূপপুরের পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হলো ‘ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটি’। এ ধাপসহ পুরো ফিজিক্যাল স্টার্ট-আপ প্রক্রিয়ায় প্রায় ৩০ থেকে ৪০ দিন সময় লাগতে পারে। ফলাফল সন্তোষজনক হলে ধাপে ধাপে রিঅ্যাক্টরের ক্ষমতা বাড়ানো হবে।

ফিজিক্যাল স্টার্ট-আপের পর কেন্দ্রটি ‘পাওয়ার স্টার্ট-আপ’ পর্যায়ে প্রবেশ করবে। এ পর্যায়ে ধীরে ধীরে রিঅ্যাক্টরের ক্ষমতা বাড়ানো, টারবাইনের সঙ্গে সমন্বয় সাধন এবং শেষ পর্যন্ত জেনারেটরকে জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। এ জন্য পরিচালনাকারী সংস্থাকে নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ট্রায়াল অপারেশনাল লাইসেন্স নিতে হবে।

পুরো প্রক্রিয়ায় রিঅ্যাক্টর, টারবাইন ও নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্যে সমন্বয়ের পাশাপাশি পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডসংশ্লিষ্ট সংস্থা, নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সামরিক বাহিনী এবং নিউক্লিয়ার ইমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় প্রয়োজন হবে।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, প্রথম ইউনিটকে প্রাথমিকভাবে কম ক্ষমতায় জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত করে ধাপে ধাপে উৎপাদনক্ষমতা ২০ থেকে ২৫ শতাংশে উন্নীত করা হবে। গ্রিডে সংযোগের পর সাত থেকে আট মাস পর্যন্ত পরীক্ষামূলক উৎপাদন চলতে পারে।

বাণিজ্যিকভাবে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হলে বাংলাদেশ পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশের তালিকায় যুক্ত হবে। এর মাধ্যমে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার হওয়ার পাশাপাশি বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জিত হবে।

অবশেষে দেশের বৃহত্তম এই বিদ্যুৎ প্রকল্পের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হলে দেশের বিদ্যুৎ খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। সূত্র-যুগান্তর

Please Share This Post in Your Social Media

আপডেট: ০৭:২৪:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
২

স্বপ্ন থেকে বাস্তবের পথে বাংলাদেশ

আপডেট: ০৭:২৪:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশের ইতিহাসের বৃহত্তম ও প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুরে পদ্মা নদীর তীরে অবস্থিত ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট উৎপাদনক্ষমতার এই মেগা প্রকল্পটি এখন বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর চূড়ান্ত প্রস্তুতির পর্যায়ে রয়েছে।

ইতিমধ্যে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা) বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিটে পারমাণবিক বিক্রিয়া বা ‘ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটি’ শুরুর চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। এর ফলে আগামী ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ পরীক্ষামূলকভাবে এই কেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হতে পারে। রূপপুর থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হলে দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি ধীরে ধীরে কমে আসবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, রূপপুর প্রকল্পের মূল মেয়াদ ছিল ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। দুই দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে তা ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়েছে। ঠিকাদারের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, মেয়াদ বাড়ানোর কারণে প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধির সুযোগ না থাকলেও ডলারের বিনিময় হার বেড়ে যাওয়ায় প্রকল্প ব্যয় প্রায় ২৬ হাজার কোটি টাকা বেড়েছে। বর্তমানে প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৬ কোটি টাকা। কেন্দ্রটির প্রাথমিক আয়ুষ্কাল ৬০ বছর। পরবর্তী সময়ে তা আরও ২০ থেকে ৩০ বছর বাড়ানো সম্ভব।

গত ৮ অক্টোবর প্রথম ইউনিটে পারমাণবিক চেইন রিঅ্যাকশন বা নিয়ন্ত্রিত পরমাণু বিভাজন প্রক্রিয়া শুরুর প্রশাসনিক অনুমোদন দেওয়া হয়। জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরুর পর বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাওয়ার আগে সাত থেকে আট মাস পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন চালানো হতে পারে।

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এম মাহমুদুল হাসান বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ড. এম মইনুল হোসেন এবং নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এনপিসিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জায়েদুল হাসানের কাছে ফিজিক্যাল স্টার্ট-আপের জন্য প্রয়োজনীয় লাইসেন্স হস্তান্তর করেন। এনপিসিবিএলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করে কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান জানান, পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরুর অনুমতি মিললেও জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সঞ্চালনের আগে আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপের অনুমোদন প্রয়োজন হবে।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, এই অনুমোদনের ফলে রূপপুরের প্রথম ইউনিটে রিঅ্যাক্টরের ফিজিক্যাল স্টার্ট-আপ প্রক্রিয়া শুরুর ক্ষেত্রে বড় কোনো বাধা নেই। এ পর্যায়ে রিঅ্যাক্টরে প্রথমবারের মতো নিয়ন্ত্রিত ও স্বয়ংসম্পূর্ণ পারমাণবিক চেইন রিঅ্যাকশন শুরু করা হবে।

এনপিসিবিএলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন সাপেক্ষে আগামী ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হতে পারে। প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, রূপপুরের পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হলো ‘ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটি’। এ ধাপসহ পুরো ফিজিক্যাল স্টার্ট-আপ প্রক্রিয়ায় প্রায় ৩০ থেকে ৪০ দিন সময় লাগতে পারে। ফলাফল সন্তোষজনক হলে ধাপে ধাপে রিঅ্যাক্টরের ক্ষমতা বাড়ানো হবে।

ফিজিক্যাল স্টার্ট-আপের পর কেন্দ্রটি ‘পাওয়ার স্টার্ট-আপ’ পর্যায়ে প্রবেশ করবে। এ পর্যায়ে ধীরে ধীরে রিঅ্যাক্টরের ক্ষমতা বাড়ানো, টারবাইনের সঙ্গে সমন্বয় সাধন এবং শেষ পর্যন্ত জেনারেটরকে জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। এ জন্য পরিচালনাকারী সংস্থাকে নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ট্রায়াল অপারেশনাল লাইসেন্স নিতে হবে।

পুরো প্রক্রিয়ায় রিঅ্যাক্টর, টারবাইন ও নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্যে সমন্বয়ের পাশাপাশি পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডসংশ্লিষ্ট সংস্থা, নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সামরিক বাহিনী এবং নিউক্লিয়ার ইমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় প্রয়োজন হবে।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, প্রথম ইউনিটকে প্রাথমিকভাবে কম ক্ষমতায় জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত করে ধাপে ধাপে উৎপাদনক্ষমতা ২০ থেকে ২৫ শতাংশে উন্নীত করা হবে। গ্রিডে সংযোগের পর সাত থেকে আট মাস পর্যন্ত পরীক্ষামূলক উৎপাদন চলতে পারে।

বাণিজ্যিকভাবে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হলে বাংলাদেশ পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশের তালিকায় যুক্ত হবে। এর মাধ্যমে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার হওয়ার পাশাপাশি বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জিত হবে।

অবশেষে দেশের বৃহত্তম এই বিদ্যুৎ প্রকল্পের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হলে দেশের বিদ্যুৎ খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। সূত্র-যুগান্তর