১২:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

নোয়াখালীর সেনবাগে বৃদ্ধ মাকে মারধর: যুবককে গলায় কলস ঝুলিয়ে ঘোরানো হল বাজারে

মো: ফখর উদ্দিন, নোয়াখালী প্রতিনিধি
মো: ফখর উদ্দিন, নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালীর সেনবাগে বৃদ্ধ মাকে মারধর: যুবককে গলায় কলস ঝুলিয়ে ঘোরানো হল বাজারে

নোয়াখালীর সেনবাগে বৃদ্ধ মাকে মারধর ও খাবার না দেওয়ার অভিযোগে এক যুবককে গলায় কলস ঝুলিয়ে বাজার ঘোরানো হয়েছে। স্থানীয়দের দেওয়া এ ধরনের ‘সামাজিক বিচার’ এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

রোববার (১৫ মার্চ) সকালে উপজেলার ছাতারপাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের সামনে মোহাম্মদ সহিদ নামে ওই যুবককে এ শাস্তি দেওয়া হয়। তিনি পেশায় দিনমজুর এবং ইউনিয়নের চিলাদি গ্রামের বাসিন্দা। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রহমানের নির্দেশে তাকে এ শাস্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সহিদ ঘরে ছাগলের মাংস রান্না করলেও তার বৃদ্ধ মাকে খাবার দেননি। বরং খাবার চাইতে গেলে মাকে মারধর করেন। এ ঘটনায় তার মা অভিযোগ করলে শনিবার (১৪ মার্চ) রাতে চৌকিদারের মাধ্যমে সহিদকে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে আসা হয়।

পরদিন সকালে ইউনিয়ন পরিষদের সামনে তাকে গলায় একটি কলস ঝুলিয়ে কলসে পানি ভরে পুরো বাজার প্রদক্ষিণ করানো হয়। এ সময় তাকে উচ্চস্বরে নিজের অপরাধ স্বীকার করে বলতে শোনা যায়, “এই শাস্তি কিসের লাই? মারে মারার লাইগা।”

এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান উপস্থিত জনতাকে উদ্দেশ করে বলেন, “কোনো লোক যদি মাকে ভাত না দেয় বা মারধর করে, তাহলে তাকে পুলিশে দেওয়ার দরকার নেই। আমরা এখানেই বিচার করব। সে পুরো বাজার ঘুরে নিজের অপরাধ স্বীকার করবে।”
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

Please Share This Post in Your Social Media

আপডেট: ১২:১২:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
১১

নোয়াখালীর সেনবাগে বৃদ্ধ মাকে মারধর: যুবককে গলায় কলস ঝুলিয়ে ঘোরানো হল বাজারে

আপডেট: ১২:১২:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

নোয়াখালীর সেনবাগে বৃদ্ধ মাকে মারধর: যুবককে গলায় কলস ঝুলিয়ে ঘোরানো হল বাজারে

নোয়াখালীর সেনবাগে বৃদ্ধ মাকে মারধর ও খাবার না দেওয়ার অভিযোগে এক যুবককে গলায় কলস ঝুলিয়ে বাজার ঘোরানো হয়েছে। স্থানীয়দের দেওয়া এ ধরনের ‘সামাজিক বিচার’ এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

রোববার (১৫ মার্চ) সকালে উপজেলার ছাতারপাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের সামনে মোহাম্মদ সহিদ নামে ওই যুবককে এ শাস্তি দেওয়া হয়। তিনি পেশায় দিনমজুর এবং ইউনিয়নের চিলাদি গ্রামের বাসিন্দা। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রহমানের নির্দেশে তাকে এ শাস্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সহিদ ঘরে ছাগলের মাংস রান্না করলেও তার বৃদ্ধ মাকে খাবার দেননি। বরং খাবার চাইতে গেলে মাকে মারধর করেন। এ ঘটনায় তার মা অভিযোগ করলে শনিবার (১৪ মার্চ) রাতে চৌকিদারের মাধ্যমে সহিদকে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে আসা হয়।

পরদিন সকালে ইউনিয়ন পরিষদের সামনে তাকে গলায় একটি কলস ঝুলিয়ে কলসে পানি ভরে পুরো বাজার প্রদক্ষিণ করানো হয়। এ সময় তাকে উচ্চস্বরে নিজের অপরাধ স্বীকার করে বলতে শোনা যায়, “এই শাস্তি কিসের লাই? মারে মারার লাইগা।”

এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান উপস্থিত জনতাকে উদ্দেশ করে বলেন, “কোনো লোক যদি মাকে ভাত না দেয় বা মারধর করে, তাহলে তাকে পুলিশে দেওয়ার দরকার নেই। আমরা এখানেই বিচার করব। সে পুরো বাজার ঘুরে নিজের অপরাধ স্বীকার করবে।”
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে।